মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২২

Rest and recreation allowance কি কর অব্যহতি প্রাপ্ত আয়?

 Ans: সরকারি মুক্ত।

        বেসরকারি যুক্ত

১৫% হারে বিক্রয় করে থাকি, এক্ষেত্রে যদি কোন মেশিনের অংশবিশেষ ৫% হারে ক্রয় করে থাকি এবং মূসক ৬.৩ পেয়ে থাকি তাহলে কি সেক্ষেত্রে রেয়াত নিতে পারবো?

 

১. মূল্য সংয়োজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা-৪৬(১)(ঠ) মোতাবেক আপনার উৎপাদ কর ১৫% হলে ধারা-২(১৮ক) এর ক্ষেত্র ব্যতীত সকল উপকরনের উপর পরিশোধিত কর রেয়াত গ্রহন করা যাবে।
২. একই আইনের ধারা-২(১৮ক) মোতাবেক "যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশের " উপর ক্রয় চালান মূসক-৬.৩ থাকলে ও ঘোষনা ফরম মূসক-৪.৩ এর কলাম নং-৫ এ উল্লেখ থাকলে রেয়াত গ্রহণে কোন আইনগত বাধা নেই।

মূসক( VAT Consultant Exam)পরামর্শক পরীক্ষার প্রস্তুতি-2022

 

দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন সারচার্জ সমূহ:
1. উন্নয়ন সারচার্জ: মোবাইল অপারেটর কর্তৃক সিম বা রিম বা Microchip সম্বলিত কার্ডে মাধ্যমে প্রদত্ত সেবা।
** উন্নয়ন সারচার্জে র হার এক শতাংশ।
2. স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জ: আমদানিকৃত বা স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত তামাকজাত পণ্যের মূল্য ভিত্তির ওপর প্রদত্ত ।
“তামাকজাত পণ্য” অর্থ তামাক, তামাক পাতা বা উহার নির্যাস হইতে প্রস্তুত যে কোন পণ্য, যাহা চোষণ বা চিবানোর মাধ্যমে গ্রহণ করা যায় বা ধূমপানের মাধ্যমে শ্বাসের সহিত টানিয়া লওয়া যায় । যেমন- বিড়ি, সিগারেট, চুরুট,গুল, জর্দ্দা, খৈনী, সাদাপাতা, সিগার এবং হুক্কা বা পাইপে ব্যবহার্য মিশ্রণ।
** স্বাস্থ্য উন্নয়ন সারচার্জের হার এক শতাংশ।
3. পরিবেশ সুরক্ষা সারচার্জ: নিদিষ্টকৃত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উৎপাদিত পণ্যের মূল্য ভিত্তির ওপর পরিবেশ সুরক্ষা সারচার্জ আরোপ হয়। যেসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কার্যের ফলে পরিবেশ দূষণ হয়।
**পরিবেশ সুরক্ষা সারচার্জের হার এক শতাংশ।
4. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উন্নয়ন সারচার্জ: আমদানিকৃত বা স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সেলুলার মোবাইল টেলিফোন সেট এর মূল্য ভিত্তির ওপর।
** তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উন্নয়ন সারচার্জের হার আমদানিকৃত ক্ষেত্রে দুই শতাংশ এবং স্থানীয় পর্যায় উৎপাদিত 0 শতাংশ।
Reff: SRO-61 Ain/2016/748 Mushak.
SRO-194Ain/2017/18 Mushak.
SRO-195Ain/2017/19 Mushak.
SRO-196Ain/2017/20 Mushak.

বিল অব এন্ট্রিতে ব্যাংক যে পরিমাণ টাকা AIT কেটে নেয়, সেটা রেয়াত নেওয়া যাবে কি না?

 এটা নীট পরিশোধ্য মুসকের সাথে সমন্নয়/রেয়াত নেয়ার সুযোগ নেই। এটি আগাম আয়কর, সংশ্লিষ্ট করদাতার আয়কর ফাইলে নীট পরিশোধ্য আয়কর হতে এই টাকা ঋনাতক সমন্নয় করবেন।

AIT ট্যাক্সের সাথে সম্পৃক্ত ভ্যাটের সাথে নয়। AIT সমন্বয় হবে ট্যাক্স ফাইলে।

কোনো কোমার্শিয়াল ইম্পোটার কোম্পানি পণ্য আমদানী করর উপকর উপাদ সহগ মূল্য ঘোষণা মুসক ৪.৩ যদি ডিভিশন অফিসে জমা না দিয়ে অনলাইনে মুসক ৪.৩ জমা দে। তাহলে কি কোনো সমস্যা হবে?

 

কোন, সমস্যা নেই। তবে মূসক-৪.৩ Approved হতে হবে, অনলাইনে।

সরাসরি জমা দিলে তো আর কিছু লাগেনা। রিসিভ কপি দেয় শুধু।

আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টস-2022

 আগামী ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ ব্যক্তি করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমার শেষ তারিখ। এ সময়ের মধ্যে করদাতারা ২০২২-২৩ করবর্ষে ২০২১-২২ আয়বর্ষের হিসাব জমা দেবেন ।

✔রিটার্ন জমার আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ন কয়েকটি বিষয়
✔গত বছরের রিটার্নের ফটোকপি সঙ্গে রাখুন।
✔ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের একটি তালিকা তৈরি করুন।
✔রিটার্নের একটি ফটোকপি করুন এবং গত বছরের রিটার্ন দেখে খসড়া রিটার্ন তৈরি করুন।
✔ প্রতিটি কাগজের দুটি করে কপি করুন।
✔ স্বাক্ষর করার আগে কমপক্ষে দুবার চেক করুন।
✔স্বাক্ষর করার আগে গত বছরের সম্পদগুলো যথাযথভাবে যাচাই করুন এবং এ বছরে
✔নতুন কোনো সম্পদ থাকলে তা ভালোভাবে পরীক্ষা করুন।
✔স্বাক্ষর করার পর একটি সেট আপনার ট্যাক্স ফাইলে সংরক্ষণ করুন।
✔ রিটার্ন জমা হওয়ার পর রিটার্ন জমা দেওয়ার স্লিপ সংগ্রহ করুন।

নমিনি হিসাবে প্রাপ্ত টাকা (সঞ্চয় পত্র থেকে) রিটার্নে কিভাবে দেখাতে হয়? এবং কি কি ডকুমেন্টস লাগে?

 

নমিনি হিসেবে প্রাপ্ত টাকা রিটার্নের পরিসম্পদ ও দায় বিবরণীর হাতে নগদ /ব্যাংকে জমা (যেখানে প্রযোজ্য) দেখাবেন। সমপরিমাণ অর্থ অন্যান্য প্রাপ্তি হিসেবে দেখাতে হবে। সাথে অবশ্যই ব্যাখ্যা দিবেন ও প্রমাণক সংযুক্ত করবেন।

প্রমাণক অনেক কিছুই হতে পারে। যেমন যে ডকুমেন্ট এর ভিত্তিতে ব্যাংক নিশ্চিত হয়েছে আপনি নমিনি তার কপি, ব্যাংক থেকে ইএফটি করা হলে আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্টের কপি কিংবা অন্য কোন ডকুমেন্ট।

যারা নতুন/এবছরই প্রথমবার রিটার্ন জমা দিচ্ছেন

 

** যাবতীয় সম্পদ ও দায় সংক্রান্ত তথ্য দিবেন যা পরের বার সংযুক্ত করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে,
** বেতন খাতে আয়ের ক্ষেত্রে পারকুইজিট হিসেবে কি কি সুবিধা পাবেন ভালো করে জেনে নিন,
** আগামী বছর কোনো সম্পদ কেনার পরিকল্পনা থাকলে চলতি বছরের ফাইলে পরিকল্পনা রাখুন ,
** সকল কাগজপত্রের এককপি এবং রিটার্নের এক কপি ফটোকপি অবশ্যই রাখবেন নিজের কাছে,
** অনলাইনে রিটার্ন জমাদানের আগে এক্সেলসিটে কিংবা হাতে-কলমে আগেই হিসেব মিলিয়ে নিন,
** না বুঝে অনুমান নির্ভর অনলাইন 'সাবমিট' করে ফেলবেন না, একবার সাবমিট প্রেস করলে আর আনডু করার সুযোগ নেই তাই সময় নিন। এটি একটি আইনগত বিষয়, ফেসবুক কিংবা টুইটারে একাউন্ট খোলা নয়; অডিটে পড়লে যাবতীয় ডকুমেন্টস সরবরাহ করতে হবে ,
**পরামর্শক দিয়ে ফাইল করলে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ ক্যালকুলেশন ও ব্যাখ্যা সাধ্যমতো বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করবেন,
** আয়কর রিটার্ন স্লিপ ও সার্টিফিকেটে আপনার সার্কেল ও জোনের সিলসহ সাইন পড়েছে কি না দেখে নিন,
** একবার রিটার্ন দেওয়ার পর ব্যাংকিং লেনদেনে স্বচ্ছতা বজায় রাখার চেষ্টা করুন যা পরবর্তী বছরে কাজে লাগবে,
** নিজের ফাইল নিজে করতে পারলে সবচেয়ে ভালো, অন্যথায় কম্পিউটারের দোকান কিংবা কম টাকায় অদক্ষ কাউকে দিয়ে রিটার্ন ফাইল না করিয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ আয়কর পরামর্শকের সহায়তা নিন।

বাবা তার মেয়েকে হেবা দলিলের মাধ্যমে ফ্ল্যাট গিফট করলে কোথায় দেখাবে এবং কিভাবে লিখবে ?

 

Ans: সম্পদ দায় বিবরণীতে, আপনি সম্পদ হিসেবে দেখাবেন আর other receipt, Source নামক কলামে গিফট  Received from Father হিসেবে দেখাবেন। আপনি যেহেতু বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন তাই এই সম্পদ কর অব্যহতি আয় ও সম্পদ। কিন্তু আপনার বাবাকে গিফট Tax  দিতে হবে যেহেতু বাবা মেয়েকে দান করেছেণ।

মায়ের নামে জমির দলিল করার জন্য টিন করা হয়েছে। সে একজন গৃহিণী। এখন কি তাকে রিটার্ন সাবমিট করতে হবে?

 রিটার্ন দাখিল করতে হবে।  করযোগ্য আয় না থাকলে জিরো রিটার্ন দাখিল করবেন।

আমি ইতোমধ্যে ম্যানুয়ালী/অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করেছি। রিটার্ন দাখিলের পর কিছু ভুল তথ্য/হিসাব দেখতে পাচ্ছি, করণীয় কি?

 

Ans: রিটার্ন দাখিলের ১৮০ দিনের মধ্যে ভুল ধরা পেয়ে থাকলে ৮২বিবি(ধারায় সংশোধিত রিটার্ন দাখিল 
করা যায়। তবে তার পূর্বে রিটার্নটি অডিটের জন্য নির্বাচিত হয়ে থাকলে সংশেধিত রিটার্ন দাখিল করা যাবে না।
সংশোধিত রিটার্নটি আপনি প্রযোজ্য সকল সংশোধন করে এর প্রথম পাতার উপর ‘82BB (5) ধারায় ভুল সংশোধনী রিটার্ন ' মার্ক করে এবং প্রতিটি ভুলের প্রকৃতি  কারণের একটি লিখিত বিবরণ সংযুক্ত করবেন (ছবি সংযুক্ত) অতিরিক্ত কর পরিশোধ প্রযোজ্য হলেচালান/পে-অর্ডার মারফত আয়কর পরিশোধ করে তা সংযুক্ত করবেন।
অনলাইনে রিভাইজ রিটার্ন দাখিল করা যায় না। যারা অনলাইনে দাখিলকৃত রিটার্ন এর রিভাইজ রিটার্ন সাবমিট করতে চান, তাঁরা সংশ্লিষ্ট সার্কেলে ম্যানুয়ালী রিভাইজ রিটার্ন জমা দিবেন।

আমি যদি কিছু টাকা দিয়ে একটি জমি মেদি/কট/ভূতে রাখি সেক্ষেত্রে রিটার্নে কোথায় কিভাবে দেখাতে হবে?

 

Ans: জমিতে অর্থ বিনিয়োগের চুক্তি পত্রের কপি জমা দিবেন। আয়কর রিটার্ন ফর্মের বিনিয়োগের ঘরে লিখবেন।

চলতি বছরের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে আপনার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র -(Required documents for submission of Income Tax return)

 

ব্যক্তিগত তথ্য :
1. ই-টিন সার্টিফিকেট ফটোকপি
2. জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
3. পাসপোর্ট সাইজ ফটো এক কপি।
চাকরির তথ্য :
1. বেতন বিবরনী (অফিস কর্তৃক) (০১/০৭/২০২১ থেকে ৩০/০৬/২০২২)
2. ব্যাংক হিসাব বিবরনী (০১/০৭/২০২১ থেকে ৩০/০৬/২০২২)
3. উৎসে কর কর্তন সার্টিফিকেট
4. প্রভিডেন্ট ফান্ড সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
গৃহ সম্পত্তি হতে আয় থাকলে:
1. বাড়ী ভাড়ার প্রাপ্ত রশিদ
2. বাড়ী ভাড়ার চুক্তিপত্র
3. বাড়ী ভাড়ার টাকা ব্যাংকে নিয়ে থাকলে ব্যাংক বিবরনী
4. হোল্ডিং ট্যাক্স ও ভূমি কর/খাজনা
ব্যবসায়ের তথ্য:
1. ট্রেড লাইসেন্স
2. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী
3. সম্পদ ও দ্বায় বিবরনী
4. ব্যাংক হিসাব বিবরনী (০১/০৭/২০২১ থেকে ৩০/০৬/২০২২)
বিনিয়োগের তথ্য:
1. ডিপিএস (যদি থাকে)
2. ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট (যদি থাকে).
3. শেয়ার মার্কেট বিনিয়োগ (যদি থাকে)
4. সঞ্চয় পত্র সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
সম্পদ ও দায় বিবরনীঃ
1. হাউস, এপার্টমেন্ট (যদি নিজ নামে থাকে)
2. জমি, গাড়ী, ফার্নিচার, ইলেক্ট্রনিকসস ইত্যাদি।
(যদি নিজের নামে থাকে)
3. ব্যাংক ঋণের তথ্য (যদি নিজ নামে হয়)
4. অন্যান্য ঋণের তথ্য (যদি নিজ নামে হয়)।
যারা প্রতিবছর রিটার্ন জমা দেন তাদের বিগত বছরের রিটার্ন জমার কপি।
বিঃদ্রঃ (যাহার জন্য যাহা প্রযোজ্য)

অবসরকালীন জিপিএফ (GP Fund) থেকে চূড়ান্ত উত্তোলিত অর্থের ওপর আয়কর আরোপ হবে কিনা?

 

জিপিএফ এর টাকা বেতন থেকে কেটে জমা করা হয় । কাটার আগে বেতন থেকে উৎসে কর কর্তন করা হয় । পরবর্তীতে রিটার্ন দেয়ার সময় গ্রস বেতন ভাতার উপর প্রদেয় কর নির্ধারণ করা হয়। প্রদেয় কর থেকে উৎসে কর্তনকৃত কর বাদ দিয়ে বাকিটা চালানে পরিশোধ করা হয়। অর্থাৎ জিপিএফ এর টাকা কর পরিশোধিত আয় থেকে বিনিয়োগ, এবং সরকারের নিকট বিনিয়োগকৃত সম্পদ।
এ বিনিয়োগের উপর রিবেট পাওয়া যায় । এটি সম্পদ বিবরনীতে বিনিয়োগ হিসেবে আসবে । আর এটির উপর সরকার যে লভ্যাংশ বা সুদ দেয় ১৪.৫০% হারে তা করমুক্ত ।
কাজেই উত্তোলন বা নগদায়নের সময় আলাদা ভাবে আর কোন আয়কর দিতে হবে না, তখন এটা সম্পদ নগদায়ন করা হয়, এটি আয় নহে।
সরকারি চাকরি জীবিদের জিপিএফ এর টাকা হতে উৎসে কর কর্তন হয় না। জিপিএফ এর টাকা সম্পুর্ন আয়কর মুক্ত ।

জিপিএফ এর দুটো অংশ, প্রথম মূল বিনিয়োগ যা বেতন থেকে মাসভিত্তিক কর্তন করা হয়, দ্বিতীয় লভ্যাংশ বা সুদ যা বৎসর শেষে গত ৩০ জুনের স্থিতির উপর নির্ধারিত হারে প্রদান করা হয় ।
বিনিয়োগ অংশ মূল বেতন থেকেই আসে, এটি করযোগ্য, কারন পুরো বেতনই করযোগ্য, অন্যদিকে লভ্যাংশ (বেতনের ১/৩ অংশ এবং ১৪.৫% সুদ এর মধ্যে যা কম), তা সরকার সুদ মুক্ত ঘোষণা করেছে 

কিভাবে অনলাইনে খুব সহজে ই-রিটার্ন জমা দেবেন?

 

যা যা লাগবেঃ
১) ১২ ডিজিটের ই-টিন নাম্বার
২) আয়কর দাতার নামে নিবন্ধিত মোবাইল নাম্বার
৩) পূর্বে আয়কর দিয়ে থাকলে তার একটি নমুনা
৪) ব্যাংক স্টেটমেন্ট
৫) সর্বশেষ বছরের বেতন বিলের পুরনাঙ্গ বিবরণী
৬) ডিপিএস, এফডিআর, সঞ্চয়পত্রের বিবরণী( যদি থাকে)
৭) অন্যান্য বিবরণী( যদি থাকে)
ধাপ-১ঃ https://etaxnbr.gov.bd/#/auth/sign-in এই সাইটে প্রবেশ করুন
ধাপ- ২ঃ eReturn এ ক্লিক করুন
পরবর্তী ধাপগুলোর জন্য ছবির ক্যাপশনগুলো দেখুন
মনে রাখবেন, প্রতিটি ধাপ শেষে Save & Continue দিবেন। তাহলে কোন তথ্য হারাবে না। আপনি চাইলে সর্বশেষ Submit করার আগে যতবার খুশি পরিবর্তন করতে পারবেন।
আপনি আয়কর বিকাশ/নগদ/ রকেট/ কার্ড/ নেক্সাস-পে তে দিতে পারবেন। মাঝে মাঝে সার্ভার ব্যস্ত থাকলে কিছু সময়পর আবার চেষ্টা করুন। আয়কর রিটার্ন পে করার সাথে সাথে আপনার মোবাইলে এসএমএস আসবে।
আসুন সরকারের ডিজিটালইজেশনের সুবিধা নেয়, হয়রানিমুক্ত, দূর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ি

কোন বিদেশির রেমুনারেশন হতে টিডিএস কেটে কোন কোডে জমা করতে হবে? উল্লেখ্য উনার কোন টিন নেই।


Ans: 

Code-  1-1141-0090-0101

মূসক (Value Added Tax License Exam) পরামর্শক লাইসেন্স-২০২৩


মূসক পরামর্শক লাইসেন্স ২০২৩ এর জন্যে আবেদন শুরু হয়েছে, আবেদনের শেষ সময় ৩১শে ডিসেম্বর'২০২২। তবে ৬/৭ দিন হাতে রেখেই আপনি অনলাইনে এবং রেজিষ্টার ডাকযোগে আপনার আবেদন করে নিবেন।
এক নজরে মূসক পরামর্শক লাইসেন্স:
⭐ যোগ্যতা:
** প্রার্থীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
** বয়স অন্যূন ২৫ বছর হতে হবে;
** স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রী;
⭐অযোগ্যতা:
** সরকার বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অধীনে চাকুরীরত ব্যক্তি;
** সরকারী, আধা-সরকারী, স্বায়ত্ত্বশাসিত,
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অধীনে চাকুরি হতে অপসারিত, বরখাস্তকৃত, বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি;
** ফৌজদারি অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি, ৫ বছর অতিবাহিত না হলে;
** ইতঃপূর্বে যাদের মূসক পরামর্শক, C&F, ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার্স, কুরিয়ার সার্ভিস এজেন্ট, শিপিং এজেন্ট বা আয়কর লাইসেন্স বাতিল হয়েছে তারা আবেদনের অযোগ্য হবেন।
⭐ আবেদনের সাথে সংযুক্ত দলিলাদিঃ
** বয়স নির্ধারণের জন্য এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সনদ;
** পাসপোর্ট আকারের ছবি ( ৩ কপি) ;
** সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের কপি;
** জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি;
** পরীক্ষার ফি বাবদ ৫,০০০/- টাকার পে অর্ডার কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমীর অনুকূলে;
⭐ আবেদন:
ওয়েবসাইট এ অনলাইনে আবেদন করতে হবে। যাদের ইউজার আইডি আছে তাদের লগইন করে আর যাদের নেই সাইন আপ করে নতুন আইডি খোলে লগইন করে Forms থেকে Add Form থেকে Mushok 18.1 ফরম পূরণ বিন নাম্বার ব্যতিত বাকি তথ্য যথাযথভাবে পূরণ করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট স্ক্যান কপি সংযুক্ত করে দিয়ে সাবমিট করতে হবে। সেই সাথে পে- অর্ডার সহ সকল প্রয়োজনীয় দলিলাদি সত্যায়িত করে
মহাপরিচালক - কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমি, চট্রগ্রাম এ রেজিস্টার ডাকযোগে প্রেরণ করতে হবে অবশ্যই ৩১শে ডিসেম্বর'২০২২ এর আগেই।
⭐ পরীক্ষা:
** মহাপরিচালক সুবিধাজনক সময়ে নির্ধারিত সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করিবেন;
** লিখিত(১০০ নম্বর) ও মৌখিক(৫০ নম্বর) পরীক্ষায় পৃথকভাবে ন্যূনতম ৫০% নম্বর পেতে হবে।
** ট্রেনিং একাডেমির মহাপরিচালক ১৫ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা বোর্ডে প্রেরণ করবেন এবং উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মূসক নিবন্ধন গ্রহণ করিতে হবে;
** মহাপরিচালক মূসক-১৮.১ক ফরমে মূসক পরামর্শক লাইসেন্স প্রদান করবেন।
☀️ ব্যতিক্রম:
মূসক বিভাগে ৯ম গ্রেডের নিম্নে নহেন এমন পদে ন্যূনতম ৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন চার্টার্ট একাউন্টেড বা চার্টার্ট সেক্রেটারিগনকে আবেদন যথাযথ প্রাপ্তি সাপেক্ষে(পরীক্ষা ব্যতিরেকে) মূসক পরামর্শক লাইসেন্স প্রদান করা যাইবে।
🔘 নোট: আবেদনের সময় প্রার্থীর মূসক নিবন্ধন না থাকলেও চলবে, তবে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে নিবন্ধন নিয়ে সার্টিফিকেট নিতে হবে।

TIN (Taxpayer’s Identification Number)

 


    ** যেহেতু NID দিয়ে TIN সার্টিফিকেটের জন্য রেজিস্ট্রেশন করা হয় সুতরাং একজন ব্যক্তি একবারই TIN রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে।

    ** TIN সার্টিফিকেটের অধিকাংশ তথ্য যেমন: নাম, জন্ম তারিখ ইত্যাদি নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজ থেকে অটোমেটিক আপডেট হয়। সুতরাং এই সকল তথ্য NID সংশোধন না করলে, TIN সার্টিফিকেটেও সংশোধন করা যাবে না

    ** শুধু মাত্র Father Name, Mother Name, Spouse Name, Gender, E-mail address, Facsimile, Present Address, Permanent Address, Other Address পরিবর্তন করা যাবে।

    ** TIN সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে বা কোন কারণে নতুন করে TIN সার্টিফিকেট ডাউনলোড করার দরকার হলে নিচে ঠিকানায় গিয়ে login করতে পারেন।


    ** কোন কারণে User Name জানা না থাকলে NBR Helpline: 09611-777111 or 333 তে ফোন করে জেনে নিতে হবে। (অনলাইনে User Name Recovery অপশনটি আপাতত নিরাপত্তার জন্য বন্ধ আছে, তাই Helpline-এ ফোন করে জানা ছাড়া বিকল্প নেই)

    ** User Name জানার পর Password Recovery করে login করা যাবে।

    ** Login করার পর বাম পাশের View TIN Certificate নামক বাটনে ক্লিক করলে TIN Certificate পাওয়া যাবে।

যাদের TIN Number আছে তাদের জন্য রিটার্ন সাবমিট করা বাধ্যতামূলক

 

ফ্রিল্যান্সার ভাই/বোনেরা আপনারা অনেকেই হয়তো TIN Account খুলেছিলেন মার্কেটপ্লেসের রিকোয়ারমেন্ট ফিলাপ করার জন্য। বিশেষ করে মাইক্রোস্টোক মার্কেটপ্লেস (সাটারস্টোক, এডোবিস্টোক) ইত্যাদির ট্যাক্স ফর্ম পূরন করার জন্য। এই মার্কেটগুলোর ট্যাক্স ফর্ম ফিলাপ করার জন্য TIN Number সাবমিট করা বাধ্যতামূলক ছিল যদি আমি ভুল না হয়ে থাকি।
** আপনারা কি জানেন আপনাদের যাদের TIN Number আছে তাদের জন্য জিরো রিটার্ন সাবমিট করা বাধ্যতামূলক। আপনি যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই রিটার্ন সাবমিট না করেন তাহলে পরবর্তীতে আপনি অনেক প্রবলেম এ পড়তে পারেন। এমনকি আপনাকে জরিমানাও করা হতে পারে ট্যাক্স আইন অনুযায়ী।
তাই আপনাকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই জিরো রিটার্ন সাবমিট করতে হবে।
স্বাভাবিকভাবেই আপনার মনে প্রশ্ন আসতেই পারে আমি কি অনলাইনে জিরো রিটার্ন দিতে পারব?
-- হ্যা আপনি অনলাইনে জিরো রিটার্ন সাবমিট করতে পারবেন
** অনলাইনে আপনি কীভাবে জিরো রিটার্ন সাবমিট করবেন?
১. আপনার ল্যাপটপ/ডেস্কটপ এর ব্রাউজার অপেন করে সার্চ করেন ereturn তাহলে বাংলাদেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অফিসিয়াল সাইট পেয়ে যাবেন। আমি নিচে ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দিয়ে দিচ্ছি

2. ওয়েবসাইটে ঢুকে প্রথম পেইজেই দেখতে পাবেন eReturn নামে অপশন আছে। ওই জায়গায় ক্লিক করলে আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করতে বলবে। রেজিস্ট্রেশনের জন্য আপনার TIN Number এবং মোবাইল নাম্বার প্রয়োজন হবে। বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রার করা মোবাইল নাম্বার দিবেন যেটা আপনি TIN একাউন্ট যে NID দিয়ে করেছিলেন ওই NID দিয়ে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রার করা থাকতে হবে।
নোট: অধিকাংশ মানুষ (যেমনটি প্রথমে আমিও করেছিলাম) এইখানে যেকোনো মোবাইল নাম্বার দিয়ে দেন। যেটা করা একদমই উচিত নয়।
পরপর ৩ বার আপনি ভুল নাম্বার দিলে আপনাকে ব্লক করে দিবে।
৩. রেজিস্ট্রার করার পর পাসওয়ার্ড সেট করে নিবেন যেটা আপনার পুনরায় লগিন করার জন্য প্রয়োজন হবে।
** লগিন করার পর আপনি ফরম ফিলাপ করে নিবেন। এখানে কোনো ভুল ইনফরমেশন দিবেন না। আপনার অথেনটিক সব ইনফরমেশন দিবেন।

আয়কর রিটার্ন করার আগে নিচের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিশ্চিত হয়ে নিন

 

৩১ ডিসেম্বর পযর্ন্ত জরিমানা ছাড়া ব্যক্তি করদাতা রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। তার আগে আয়কর রিটার্ন তৈরি নির্ভুল হয়েছে কি-না তা নিশ্চিত হওয়া দরকার।
** কারণ কিছু বাদ পড়লে বা ভুল হলে পরে সমস্যা হতে পারে। তাই রিটার্ন দাখিল করার আগে নিচের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিশ্চিত হয়ে নিন।
**করযোগ্য আয় গণনা ঠিক আছে কি?
**সম্পূর্ণ বিনিয়োগ ভাতা হিসেব করেছেন তো?
**উৎসে কর কর্তন বাদ দিয়েছেন কী?
**পূর্বের বছরের অতিরিক্ত কর সমন্বয় করেছেন তো?
**সম্পদ এবং দায় পূর্ণাঙ্গ দেখিয়েছেন কি?

৩১শে ডিসেম্বর'২০২২ এর পূর্বেই অনুমোদিত ভ্যাট সফটওয়্যার ব্যবহার বাধ্যতামূলক-

 

যে সকল প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয়ভাবে ভ্যাট নিবন্ধিত, তাদের ৩১শে ডিসেম্বর'২০২২ এর পূর্বেই অনুমোদিত ভ্যাট সফটওয়্যার ব্যবহার বাধ্যতামূলক। অন্যথায় কেন্দ্রীয় নিবন্ধন বাতিল হবে এবং পুনরায় নিবন্ধন নিতে হবে।
রেফারেন্স:
SRO No:১৭৪ আইন/২০২২/১৮৭ মূসক।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কিছু সরকারি ও বেসরকারি সেবাগ্রহণে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩৯টি সেবার জন্য এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে, যার ফলে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে নির্দিষ্ট কিছু সেবা পেতে আগে আয়কর...