FAQ- e-Return
ক। www.etaxnbr.gov.bd এ প্রবেশ করার পর আপনি একটি স্ক্রীন দেখতে পাবেন যার বাম দিকে তিনটি মেনু দেখায় – Home, Submission ও Tax record
খ। সেই স্ক্রীন থেকে Submission মেনুতে ক্লিক করুন। তারপর সিস্টেম আপনাকে আরেকটি স্ক্রীনে নিয়ে গিয়ে Assessment Information এবং Heads of Income দেখাবে ।
গ। তারপর ধাপে ধাপে এগিয়ে যান এবং সফটওয়্যার আপনাকে গাইড করবে, যেকোন টার্ম বুঝতে যদি কোন অসুবিধা হয় অনুগ্রহ করে প্রথমে ইউজার ম্যানুয়াল অনুসরণ করুন। এছাড়াও অনলাইনে অধিকাংশ অপশনের পাশেই প্রশ্নবোধক চিহ্ন “?” রয়েছে যার উপরে ক্লিক করলে সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত ব্যাখা পাওয়া যাবে এবং তারপরেও যদি তা বোঝা কঠিন হয় তাহলে কল সেন্টারে কল দিয়ে বুঝে নিতে পারেন ।
i) Assessment - প্রথমে আপনাকে কিছু মৌলিক তথ্য দিতে হবে
iii) Rebate- রেয়াতযোগ্য বিনিয়োগ যেমন জীবন বিমা, ডিপিএস, সঞ্চয়পত্র, জিপিএফ, শেয়ারের বিনিয়োগ ইত্যাদির তথ্য উল্লেখ করুন।
iv) Expenditure- আপনার বাৎসরিক ব্যয় সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করুন।
v) Asset & liabilities- সম্পদ এবং দায় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। যেমন: ব্যবসার মূলধন, অ-কৃষি সম্পত্তি, কৃষি সম্পত্তি, আর্থিক সম্পদ (শেয়ার, ডিবেঞ্চার, সেভিংস সার্টিফিকেট, এফডিআর, ডিপিএস), মোটর গাড়ি, সোনা, হীরা, গৃহস্থালীর জিনিসপত্র, ব্যাংক স্থিতি, নগদ ইত্যাদি। এছাড়া ঋণের তথ্যও প্রদান করুন।
vi) Tax & payment- এই সেকশনে সিস্টেম আপনাকে আপনার মোট আয়ের বিবরণ, ট্যাক্স কম্পিউটেশনের বিবরণ, প্রদেয় করের পরিমাণ দেখাবে । এই সেকশন থেকে আপনি ইতোমধ্যে উৎসে কর্তিত কর, অগ্রিম প্রদত্ত কর, পূর্ববর্তী বছরে পরিশোধিত অতিরিক্ত কর এবং রিটার্নের সাথে পরিশোধিত করের তথ্য প্রদান করে আপনার কর পরিশোধের তথ্য আপডেট করতে পারবেন। এরপর অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। এই সেকশন হতে আপনি আপনার জন্য প্রযোজ্য প্রদেয় কর মোবাইল ব্যাংকিং যেমন- বিকাশ, রকেট, নগদ ইত্যাদি বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন।
vii) Return view- এখানে সম্পূর্ণ রিটার্ন দেখাবে, আপনি ভুল কোন তথ্য এন্ট্রি দিয়েছেন কিনা তা পরীক্ষা করতে পারবেন, সেভ করে রাখতে পারবেন এবং সবশেষে সাবমিট করতে পারবেন।অনলাইন রিটার্ন পূরণে আপনি চাইলে সব তথ্য একেবারে ইনপুট দিয়ে রিটার্ন দাখিল করতে পারেন আবার প্রয়োজনে সময়ে সময়ে তথ্য ইনপুট দিয়ে সেভ করে রাখতে পারবেন এবং সময় নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সাবমিট করতে পারবেন। সাবমিট করা হলে যেকোনো সময়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র, রিটার্ন, সার্টিফিকেট, চালান ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে পারবেন।
Claim Source Tax এর অধীন অন্যান্য উৎসে কর কর্তনের ক্ষেত্রে “other” বাটনে ক্লিক করে প্রথমে Purpose of payment হতে উৎসে কর কর্তনের খাত সিলেক্ট করতে হবে। যে কর্তৃপক্ষ উৎসে কর কর্তন করে জমা প্রদান করেছে তার নাম, উৎসে করের চালান নম্বর, তারিখ, ব্যাংকের নাম, শাখার নাম পূরণ করতে হবে। তবে কোন ক্ষেত্রে চালানের পরিবর্তে সার্টিফিকেট বা প্রত্যয়ন থাকলে সার্টিফিকেটের রেফারেন্স/নথি/স্মারক নম্বর ও তারিখ পূরণ করতে হবে। এরপর উক্ত চালান/সার্টিফিকেটের মোট অংক Challan/Certificate amount এ এবং আপনার নিজের জন্য প্রযোজ্য/কর্তিত অংক Claimed amount এ টাইপ করতে হবে। উল্লেখ্য, চালান বা সার্টিফিকেটটি শুধুমাত্র আপনার জন্য প্রযোজ্য হলে Challan/ Certificate amount ও Claimed amount এক হবে। কিন্তু একাধিক ব্যক্তির জন্য হলে Challan/ Certificate amount এ সম্পূর্ণ অংক এবং Claimed amount এ নিজের জন্য প্রযোজ্য/কর্তিত উৎসে করের তথ্য ইনপুট দিতে হবে।
অগ্রিম কর চালানে পরিশোধের ক্ষেত্রে AIT (154) হতে চালানের তথ্য এবং গাড়ির অগ্রিম করের ক্ষেত্রে AIT on Car হতে ব্যাংক স্লিপের উপরের দিকে ডানে ট্র্যানজাকশন আইডি (Transaction No) পূরণ করে কর পরিশোধের তথ্য হালনাগাদ করতে হবে।
e-Return Ledger অংশের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট হাতে নিয়ে সতর্কতার সাথে পূরণ করতে হবে। অন্যথায় রিটার্ন পূরণ অসত্য ও অসম্পূর্ণ হয়ে যাবে।
সর্বশেষ মূল রিটার্নে ফেরত আসতে e-Return Ledger এর বামে নিচের Go to Return বাটনে ক্লিক করতে হবে।
অন্যান্যদের ক্ষেত্রে Salary(others) এ ঢুকে “+Add” বাটনে ক্লিক করে যে কর্তৃপক্ষ উৎসে কর কর্তন করে জমা প্রদান করেছে তার নাম, চালান/সার্টিফিকেট এর ধরন সিলেক্ট করে চালান/সার্টিফিকেট এর নম্বর, তারিখ পূরণ করতে হবে। এরপর উক্ত চালান/সার্টিফিকেটের মোট অংক Challan/Certificate amount ঘরে এবং আপনার নিজের জন্য প্রযোজ্য/কর্তিত অংক Claimed amount ঘরে টাইপ করতে হবে। উল্লেখ্য চালান বা সার্টিফিকেটটি শুধুমাত্র আপনার জন্য প্রযোজ্য হলে Challan/Certificate amount ও Claimed amount এক হবে। কিন্তু একাধিক ব্যক্তির জন্য হলে Challan/Certificate amount এ সম্পূর্ণ অংক এবং Claimed amount এ নিজের জন্য প্রযোজ্য/কর্তিত উৎসে করের তথ্য ইনপুট দিতে হবে।
i) ঘরে বসে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।আয়কর অফিসে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।
ii) টিন সার্টিফিকেট প্রিন্ট/ডাউনলোড করতে পারবেন।
iii) রিটার্ন ও ট্যাক্স সার্টিফিকেট প্রিন্ট/ডাউনলোড করতে পারবেন।
iv) রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রমাণ হিসেবে Acknowledgement slip ডাউনলোড করতে পারবেন।
v) এই সিস্টেমের মাধ্যমে পরিশোধিত করের চালান ডাউনলোড ও প্রিন্ট করতে পারবেন।
vi) এই সিস্টেমের মাধ্যমে পূর্ববর্তী বছরসমূহে কোন রিটার্ন দাখিল করা হয়ে থাকলে তার রেকর্ড প্রিন্ট এর সুবিধা পাওয়া যাবে।
ক) ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের প্রবীণ করদাতা
খ) শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন করদাতা
গ) বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশী করদাতা
ঘ) মৃত করদাতার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধি।
তবে উপরে বর্ণিত করদাতাগণ ইচ্ছাপোষণ করলে অনলাইন রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। এছাড়া, ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন সংক্রান্ত সমস্যার কারণে অনলাইনে রিটার্ন দাখিলে সমর্থ না হলে সংশ্লিষ্ট উপ কর কমিশনারের নিকট যৌক্তিক কারণসহ আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত/যুগ্ম কর কমিশনারের অনুমোদনক্রমে পেপার রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।
i) এই বছরে সঞ্চয়পত্রের আয়ের তথ্য পূরণের জন্য সঞ্চয়পত্রের সার্টিফিকেট প্রয়োজন হবে না। কারণ সঞ্চয়পত্রের আয়ের অপশনে Import From NSD বাটনে ক্লিক করে আপডেটেড তথ্য দেখা ও রিটার্নের সাথে যুক্ত করা যাবে। শুধুমাত্র ০১ লা জুলাই ২০১৯ এর পূর্বের কোনো সঞ্চয়পত্র থাকলে তা ম্যানুয়ালি এন্ট্রি দিতে হবে।
ii) ইম্পোর্টের ক্ষেত্রে ১২০ ধারায় কর্তিত বা সংগৃহীত করের তথ্যও Claim বাটনে ক্লিক করে সয়ংক্রিয়ভাবে রিটার্নের সাথে যুক্ত করা যাবে।
iii) ৩০ জুন ২০২৭ তারিখ পর্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাক্তি করদাতা কর্তৃক স্বনির্ধারণী পদ্ধতিতে রিটার্ন দাখিল করা যাবে। তবে প্রদেয় করের ভিন্নতা থাকতে পারে-
ক) ১ জুলাই হতে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্তঃ নীট প্রদেয় করের ৫% (সর্বোচ্চ ২৫,০০০) কর প্রণোদনা পাবেন।
খ) ১ অক্টোবর হতে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্তঃ কোনো কর প্রণোদনা বা অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য হবে না।
গ) ১ জানুয়ারি হতে ৩১ মার্চ পর্যন্তঃ নীট প্রদেয় করের ২% (সর্বনিম্ন ৩,০০০) অতিরিক্ত কর প্রদেয় হবে।
ঘ) ১ এপ্রিল হতে ৩০ জুন পর্যন্তঃ নীট প্রদেয় করের ৫% (সর্বনিম্ন ৫,০০০) অতিরিক্ত কর প্রদেয় হবে।