মঙ্গলবার, ২৫ জুলাই, ২০২৩

ভ্যাট চালানপত্র (মূসক-৬.৩) কি ?ভ্যাট চালানপত্র কত কপি তৈরি করতে হয়? কখন ভ্যাট চালানপত্র ইস্যু করতে হয়?

ভ্যাট চালানপত্র (মূসক-৬.৩):
ভ্যাট চালানপত্রের অর্থ হলো ক্রয়ের সপক্ষে রসিদ। ভ্যাটযোগ্য কোনো পণ্য বিক্রি বা সেবা প্রদান করতে হলে প্রতিটি বিক্রির সমর্থনে ভ্যাট চালানপত্র ইস্যু করতে হয়। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ এর ধারা ৫১ অনুযায়ী মূসক ৬.৩ ফরমে পণ্য/সেবা বিক্রয়ের সমর্থনে পণ্য/সেবার পরিমাণ, মূল্য ও মূসকের পরিমাণ উল্লেখ করে যে রশিদ বা ক্যাশমেমো দেয়, সেটিই হলো ভ্যাট চালানপত্র । মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা, ২০১৬ চালানপত্রের একটি ফরম্যাট রয়েছে, যাকে মূসক-৬.৩ বলে। প্রতিটি নিবন্ধিত করযোগ্য সরবরাহের উপর ভ্যাট প্রদেয় হওয়ার তারিখে বা তার আগে সরবরাহকারীকে ভ্যাট চালান ইস্যু করতে হয়। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক বিধিমালা, ২০১৬ এর অধীনে নির্দিষ্ট নির্দেশিকা অনুযায়ী ভ্যাট চালানপত্র (মূসক-৬.৩) তে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করতে হয় ।



ভ্যাট চালানপত্রে যে সাধারণ তথ্যগুলো থাকে:
ভ্যাট চালানপত্রে যে সাধারণ তথ্যগুলো থাকে, তা হলো বিক্রেতার নাম, ভ্যাট নিবন্ধন নম্বর, ঠিকানা, ক্রেতার নাম, ভ্যাট নিবন্ধন নম্বর, পণ্যের গন্তব্যস্থল, চালানপত্র নম্বর, ইস্যুর তারিখ, ইস্যুর সময়, পণ্য বা সেবার ক্রমিক নম্বর, বর্ণনা, সরবরাহের একক, পরিমাণ, একক মূল্য, মোট মূল্য, সম্পূরক শুল্কের হার, সম্পূরক শুল্কের পরিমাণ, ভ্যাটের হার ও পরিমাণ, সুনির্দিষ্ট ভ্যাট এবং সকল প্রকার শুল্ক ও করসহ মূল্য। । ভ্যাট চালানপত্রে ১১টি কলাম রয়েছে।
ভ্যাট চালানপত্র কত কপি তৈরি করতে হয়?
ভ্যাট চালানপত্র ন্যূনতম দুই কপি প্রস্তুত করতে হয়। প্রথম কপি পণ্য বা সেবা ক্রয়কারীকে দিতে হবে এবং দ্বিতীয় কপি পণ্য বা সেবা বিক্রেতা ন্যূনতম পাঁচ বছর সংরক্ষণ করতে হবে।
কখন ভ্যাট চালানপত্র ইস্যু করতে হয়?
মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ -এর (ভ্যাট আইন) প্রথম তফসিলে ভ্যাটমুক্ত পণ্য ও সেবার তালিকা রয়েছে। এ তালিকায় বর্ণিত পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে চালান ইস্যু করতে হবে না। এর বাইরের সব পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে বিক্রির সময় ভ্যাট চালান ইস্যু করতে হবে।
এসআরওর মাধ্যমে যেসব পণ্য ও সেবাকে ভ্যাটমুক্ত করা হয়েছে, সেসব পণ্য বা সেবা বিক্রি করতে হলে ভ্যাট চালান ইস্যু করতে হবে না কারণ, এমন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে ভ্যাট আরোপিত হবে না; তবে হিসাবপত্র সংরক্ষণ করতে হবে। এসআরওতে উল্লেখ রয়েছে যে হিসাবপত্র সংরক্ষণ করা না হলে এমন পণ্য বা সেবা ভ্যাটমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে না।

Online Payment & verification Link. (Tax, VAT, Bond, Income Tax Return, RJSC return, VAT return)

 1.Tax Payment

5.Import/Export License
Online Filling
Income Tax Return
VAT Return
RJSC Return
Withholding Return
Online Verification
Challan
Income Tax Return
eTin Certificate
BIN Certificate
IRC/ERC License
Audit Report

#কখন_কর_শুন্য_রিটার্ন_Zero_Tax_Return_জমা_দিতে_পারবেন?

 বিভিন্ন প্রয়োজনে অনেকে টিআইএন (TIN) খুলে থাকেন কিন্তু দেখা যায় তাদের কোন করযোগ্য আয় নেই। তখন প্রশ্ন আসে তারা কি রিটার্ন জমা দিবেন? আর যদি রিটার্ন জমা দেন তো তাদের কি ট্যাক্স দেওয়া লাগবে। আয়কর আইন অনুযায়ী কয়েকটি ক্ষেত্র ব্যতিত যাদের টিআইএন (TIN) আছে তাদের করযোগ্য আয় থাকুক অথবা না থাকুক সকলকেই রিটার্ন জমা দিতে হবে। তবে যদি করযোগ্য আয় না থাকে(অর্থাৎ যদি কারও মোট আয় করমুক্ত আয় সীমার নিচে থাকে) তবে, তাদেরকে কোন ট্যাক্স বা কর দিতে হবে না। আয়কর রিটার্ন শুন্য দেখিয়ে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন যাকে বলে কর শুন্য রিটার্ন (Zero Tax Return)।

(What are the required documents for the submission of income tax return as per new income tax act 2023? আয় বর্ষ ২০২২-২০২৩ এবং কর বর্ষ ২০২৩-২০২৪ এ আয়কর রিটার্ন জমা দিতে আপনার যা যা প্রয়োজন

 ব্যক্তিগত তথ্য :

1. ইটিন সার্টিফিকেট ফটোকপি
2. জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
3. পাসপোর্ট সাইজ ফটো এক কপি।
চাকুরির তথ্য :
1. বেতন বিবরনী (অফিস কর্তৃক) (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
2. ব্যাংক বিবরনী (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
3. উৎসে কর কর্তন সার্টিফিকেট
4. প্রভিডেন্ট ফান্ড সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
গৃহ সম্পত্তি হতে আয় থাকলে:
1. বাড়ী ভাড়ার প্রাপ্ত রশিদ
2. বাড়ী ভাড়ার চুক্তিপত্র
3. বাড়ী ভাড়ার ব্যাংকে নিয়ে থাকলে ব্যাংক বিবরনী
4. হোল্ডিং ট্যাক্স ও ভূমি কর / খাজনা।
ব্যবসায়ের তথ্য:
1. ট্রেড লাইসেন্স
2. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী
3. সম্পদ ও দ্বায় বিবরনী
4. ব্যাংক বিবরনী (০১/০৭/২০২২ থেকে ৩০/০৬/২০২৩)
বিনিয়োগের তথ্য:
1. ডিপিএস এবং ফিক্সড ডিপোজিট (যদি থাকে)
2. ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট (যদি থাকে).
3. শেয়ার মার্কেট বিনিয়োগ (যদি থাকে)
4. সঞ্চয় পত্র - (যদি থাকে)
সম্পদ ও দায় বিবরনীঃ
1. হাউজ, এপার্টমেন্ট (যদি নিজ নামে থাকে)
2. জমি, গাড়ী, ফার্নিচার, ইলেক্ট্রনিকসস ইত্যাদি। (যদি নিজের নামে থাকে)
3. ব্যাংক ঋনের তথ্য (যদি নিজ নামে হয়)
4. অন্যান্য ঋনের তথ্য (যদি নিজ নামে হয়)।
বি দ্রঃ যদি আপনি আগে রিটার্ন জমা দিয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই ঐ রিটানের একটি ফটো কপি লাগবে

১০০%_রপ্তানিকারি প্রতিষ্ঠান ভ্যাট রিটার্ন কিভাবে দাখিল করবেন ?

 

আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাসিক ভ্যাট রিটার্ন বা মূসক-৯.১ জমা দিয়েছেন কি..? আপনি জানেন তো সময়মত রিটার্ন জমা দানে ব্যার্থতায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হয়। সুতরাং জরিমানা এড়াতে সময়মত রিটার্ন দাখিল করুন, প্রয়োজনে আমাদের দক্ষ টিমের সহায়তা নিন। যে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিমাসের ১ তারিখ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত ক্রয় বিক্রয় তথ্য দিয়ে পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে ভ্যাট রিটার্ন মূসক-৯.১ ফরমে পূরন করে অফ লাইনে বা অনলাইনে জমা দেয়ার বিধান রয়েছে, অর্থাৎ প্রতি মাসের ১৫ তারিখের ভিতর ভ্যাট রিটার্ন জমা না দিলে ৫ হাজার করে জরিমানার বিধান রয়েছে। তবে যাদের ব্যবসা বন্ধ রয়েছে কিন্তু BIN করা আছে তাদের জন্যে সুখবর এইটুকুই যে, তারা শুন্য রিটার্ন ও দাখিল করতে পারবেন। তথ্য সূত্রঃ মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন এর ধারা ৮৫ (উপধারা ১ এর চ)।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কিছু সরকারি ও বেসরকারি সেবাগ্রহণে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩৯টি সেবার জন্য এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে, যার ফলে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে নির্দিষ্ট কিছু সেবা পেতে আগে আয়কর...