বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

আয়কর রিটার্ন বিধিমালা, ২০২৩ ( Income Tax Rule 2023).

 


আয়কর রিটার্ন এর সকল ফরম একসাথে পেতে এখনই ডাউনলোড করে নিন 

1. একপাতার আয়কর রিটার্ন ফরম জমা দিতে পারবেন যাদের করযোগ্য ইনকাম ৫ লক্ষ্য টাকার নিচে  এবং যাদের মোট সম্পদ ৪০ লক্ষ্য টাকার নিচে তারা আইটি ঘ ২০২৩ ফরম ব্যবহার করতে পারবেন 

1. একপাতার আয়কর রিটার্ন ফরম-আইটি ঘ ২০২৩

2.অন্যান্য স্বাভাবিক ব্যাক্তি করদাতার জন্য আইটি ১১ গ ২০২৩ ফরম ব্যবহার করতে পারবেন 

3.কোম্পানি করদাতার আয়কর রিটার্ন আইটি ঘ ২০২৩ ব্যবহার করা যাবে

4.স্বাভাবিক ব্যাক্তি করদাতা ও কোম্পানি করদাতা ব্যতিত অন্যান্য করদাতার জন্য আয়কর রিটার্ন ফরম আইটি ১১চ ২০২৩ ব্যবহার করতে পারবেন 

আয়কর রিটার্ন বিধিমালা, ২০২৩ ডাউনলোড করতে নিচের অপসন এ ক্লিক করুন 

https://drive.google.com/file/d/1ZB8G-EEJbMyF0hOoz48ZKCltQcZCFLOP/view?usp=drive_link

আয়কর নির্দেশিকা ২০২৩-২০২৪

 



২০২৩-২০২৪ অর্থ বৎসরের বাজেট কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলা ভাষায় প্রণীত আয়কর আইন,২০২৩ আনীত পরিবর্তনসমূহ সহজবোধ্য ভাষায় উপস্থাপন করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বরাবরের মতো এবারেও সম্মানিত করদাতাদের জন্যআয়কর নির্দেশিকা” (income tax nirdeshika 2023-24)), প্রকাশ করেছে।

নির্দেশিকায় করদাতাগণ কর ব্যবস্থার মৌলিক বিষয়াদি, যেমন- আয়কর রিটার্ন ফরম পূরণ,মোট আয় নিরূপণ, করদায় সারচার্জ পরিগণনা এবং অগ্রিম করের ক্রেডিটসহ কর পরিপালনসংশ্লিষ্ট গুরুত্পূর্ণ বিষয়সমূহ সম্পর্কে ধারণা পাবেন। ব্যক্তি-শ্রেণির করদাতাদের বিভিন্ন খাতের আয় বিবেচনায় নিয়ে পর্যাপ্ত উদাহরণের মাধ্যমে করযোগ্য আয় নিরুপণ প্রদেয় কর নির্ধারণ পদ্ধতি সহজে উপস্থাপন করা হয়েছে।

আশা করা যায় আয়কর নির্দেশিকাটি অনুসরণের মাধ্যমে করদাতাগণ বিশেষজ্ঞদের সাহায্য ছাড়াই নিজেরা তদের আয়কর রিটার্ন পূরণ প্রদেয় কর পরিশোধ করতে সক্ষম হবেন।

ডাউনলোড আয়কর নির্দেশিকা ২০২৩-২০২৪। Income Tax Nirdeshika 2023-24

আয়কর নির্দেশিকা ২০২৩-২০২৪ ( Income Tax Nirdeshika 2023-24 ) pdf ডাউনলোড করতে নিচের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন

আয়কর নির্দেশিকা-2023-2024

শনিবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৩

How to Calculate the Investment tax rebate as per income tax act 2023 (কিভাবে আয়কর রেয়াত নির্ণয় করতে হয়?)

 



৭৮। এই আইনের বিধান সাপেক্ষে এবং ষষ্ঠ তফসিল এর অংশ ৩ এ নির্ধারিত সীমা, শর্তাবলি এবং যোগ্যতা সাপেক্ষে কোনো বিনিয়োগ করা হইলে, কোনো করবর্ষে মোট আয়ের উপর প্রযোজ্য কর হইতে নিবাসী স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা ও অনিবাসী বাংলাদেশি স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা নিম্নবর্ণিতভাবে কর রেয়াত প্রাপ্য হইবেন-

(ক) ০.০৩ × ‘ক’; বা

(খ) ০.১৫ × ‘খ’; বা

(গ) ১০ (দশ) লক্ষ টাকা,

এই তিনটির মধ্যে যাহা কম,

এইক্ষেত্রে-

‘ক’ = কর অব্যাহতি প্রাপ্ত আয়, হ্রাসকৃত করহার প্রযোজ্য এইরূপ আয় এবং ন্যূনতম কর প্রযোজ্য এইরূপ আয় বাদ দিয়া পরিগণিত মোট আয়, এবং

‘খ’ = কোনো আয়বর্ষে ষষ্ঠ তফসিল এর অংশ ৩ অনুসারে করদাতার মোট বিনিয়োগ ও ব্যয়ের পরিমাণ।

আয়কর রেয়াত (Income Tax Rebate) এর পরিমাণ নির্ধারনের সূত্র

করদাতার সাধারণ কর রেয়াত নির্ণয় করতে হলে করদাতার মোট আয়, বিনিয়োগের পরিমাণ ও ১০ লক্ষ টাকা; এই তিনটি বিষয় বিবেচনা করতে হবে। কোন করদাতা কর রেয়াত প্রাপ্য হবে যদি-

মোট আয়ের ৩%

ষষ্ঠ তফসিলের অংশ ৩ অনুসারে করদাতার মোট বিনিয়োগ ও অনুদানের ১৫%

১০ লক্ষ টাকা

উপরের তিনটির ভিতর যাহা কম হবে।

তবে এখানে শর্ত থাকে যে,

মোট আয় বলতে, কর অব্যাহতি প্রাপ্ত আয়, হ্রাসকৃত করহার প্রযোজ্য এইরুপ আয় এবং নূন্যতম কর প্রযোজ্য এইরুপ আয় বাদ দিয়ে পরিগণিত মোট আয়।

উদাহরণস্বরুপ, একজন করদাতার মোট আয় ৬ লক্ষ টাকা, বিনিয়োগের পরিমাণ ১৫ লক্ষ টাকা। তাহলে কর রেয়াতের পরিমাণ কত?

মোট আয়ের ৩%; ১৫,০০,০০০ x ৩% = ৪৫,০০০
বিনিয়োগের ১৫%; ১০,০০,০০০ x ১৫% = ১,৫০,০০০
এইখানে, মোট আয়, বিনিয়োগ, ১০ লক্ষ টাকার ভিতর মোট আয়ের ৩% কম থাকায় ৪৫,০০০ টাকা কর রেয়াত প্রাপ্য হবেন।

সোমবার, ৭ আগস্ট, ২০২৩

ইউটিউব এবং ফেইসবুক থেকে আয় করলে করমুক্ত আয় হবে কি?

 


বর্তমানে বাংলাদেশে ফেসবুক ইউটিউব কনটেন্ট ক্রিয়েট একটি পেশা। অনেকেই ফেসবুক, ইউটিউব, বা এই ধরনের সোস্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ব্যবহার করে অল্প সময়ে জনপ্রিয়তা এবং অর্থ দুইটায় অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছে। ফেসবুক, ইউটিউব এর কনটেন্ট ক্রিয়েটরগণ তাদের পেজ অথবা চ্যানেলে বিজ্ঞাপনের জন্য বিজ্ঞাপনদাতার অনুমতি প্রদান করে থাকে এবং বিনিময়ে বিজ্ঞাপনদাতারা বিজ্ঞাপনের আয়ের একটা অংশ কনটেন্টে ক্রিয়েটরগণের সাথে শেয়ার করেন। অর্থ্যাৎ ফেসবুক, ইউটিউবের কনটেন্ট ক্রিয়েটরেরা মূলত বিজ্ঞাপন থেকেই আয় করে থাকেন

 

আয়কর আইনের ধারা ১২৪ অনুযায়ী

বিজ্ঞাপন বা অন্য কোনো উদ্দেশ্যে কোনো অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহারের অনুমতি প্রদানের জন্য ফি. সেবা চার্জ বা পারিশ্রমিক, তাহা যে নামেই অভিহিত হউক না কেন. বা যেকোনো নামে বা প্রকৃতির রেভিনিউ শেয়ারিং এর মাধ্যমে বিদেশ হইতে প্রেরিত অর্থ কোনো ব্যক্তির হিসাবে পরিশোধ বা জমা প্রদানের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি প্রাপকের হিসাবে অর্থ পরিশোধ বা জমা প্রদানকালে উক্ত পরিশোধিত বা জমাকৃত অর্থের উপর ১০% (দশ শতাংশ) হারে উৎকে কর কর্তন করিবেন।

এই ধারাতে সুষ্পষ্ট হয় যে, কনটেন্ট ক্রিয়েটরেরা ফেসবুক, ইউটিউবে বা তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে ফেসবুক এডস, গুগল এডসেন্স বা অন্য কোন এড নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যে আয় করেন, সেই আয়ের অর্থ বিদেশ থেকে আসলেও তা করমুক্ত আয় নয়।

আয়কর আইনের ধারা ১৬৩()() যে কর কর্তন বা সংগ্রহকৃত কর হিসাবে গণ্য হবে তার ভিতর ধারা ১২৪ অন্তর্ভুক্ত।

আবার ষষ্ঠ তফসিলের অংশ এর দফা ১৭ এর বিধান অনুযায়ী কনটেন্ট ক্রিয়েটরেরা নিবাসী করদাতা হিসাবে বাংলাদেশে অবস্থান করায় বিদেশে উপার্জিত আয় হিসাবে গণ্য হবে না এবং তিনি বৈদেশিক রেমিটেন্সে যে কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সেই সুবিধাও নিতে পারবেন না।

আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর ষষ্ঠ তফসিলের অংশ এর ৩৩ এর iv ডিজিটাল কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজমেন্ট হতে আয়কে কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিলো কিন্তু আয়কর আইন ২০২৩ এর ষষ্ঠ তফসিলের অংশ এর দফা ২১ তথ্য প্রযুক্তি খান সংশ্লিষ্ট যেসকল আয়কে কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে সেখানে ডিজিটাল কনটেন্ট ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজমেন্ট কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

বাংলাদেশের বাহিরে অর্জিত আয়ের জন্য দ্বৈত কর নীতি অনুসরণ করিয়া কর অব্যাহতি পাওয়া যায়, তবে সেক্ষেত্রে দ্বৈত করের বিষয়ে যথাযথ প্রমাণাদি এবং সংশ্লিষ্ট দেশের সাথে বাংলাদেশের চুক্তি থাকা আবশ্যক।

পরিশেষে নতুন আয়কর আইন পর্যালোচনা করে বলা যায় যে, কনটেন্ট ক্রিয়েটরেরা ফেসবুক, ইউটিউবে বা তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিদেশ থেকে যে আয় করেন তার জন্য কোন কর অব্যাহতির সুবিধা প্রাপ্ত হবেন না। করযুক্ত আয়ের সাথে কনটেন্ট ক্রিয়েটরেরা ফেসবুক, ইউটিউবে বা তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বৈদেশিক আয়ও সংযুক্ত হবে এবং ধারা ১২৪ অনুযায়ী ব্যাংক উক্ত অর্থ প্রাপকের একাউন্টে জমা করার সময় ১০% হারে উৎসে কর কর্তন করবেন। এছাড়া আয়কর আইনের ধারা ১৬৩ অনুযায়ী উৎসে কর্তনকৃত কর নূন্যতম কর হিসাবে গণ্য হবে অর্থ্যাৎ পরিশোধকৃত নূন্যতম কর ফেরতযোগ্য হবে না অথবা পূববর্তী এক বা একাধিক বর্ষে ফেরতযোগ্য বকেয়া বা কোন উৎস হতে কোন করবর্ষের ফেরতযোগ্য বকেয়ার বিপরীতে সমন্বয়যোগ্য হবে না।

 


চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কিছু সরকারি ও বেসরকারি সেবাগ্রহণে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩৯টি সেবার জন্য এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে, যার ফলে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে নির্দিষ্ট কিছু সেবা পেতে আগে আয়কর...