উত্তরঃ সর্ব শেষ আয়কর রিটার্ন এ উক্ত বিনিয়োগ প্রদর্শন করতে হবে আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর ধারা ১৯ অনুযায়ী অব্যাখ্যায়িত বিনিয়োগের অংক প্রাপ্তি বা অর্জনের সঠিক ব্যাখ্যা প্রদর্শন করবেন। ব্যাখ্যা যদি উপ কর কমিশনার সন্তোষজনক মনে না করেন সে ক্ষেত্রে করদাতার প্রদর্শিত অংকটিকে আয় হিসাবে গণ্য করা হবে। এবং উক্ত আয় অন্যান্য সূত্রের আয় হিসেবে শ্রেনীবদ্ধ হবে।
we are the best legal or consultancy service provider in Bangladesh. we focus on better customer satisfaction by providing VAT TAX and Accounting related services to clients.
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২২
আমি ইতিপূর্বে রিটার্ন জমা করেছি কিন্তু ভুলে ৫ লাখ টাকার সঞ্চয় পত্র রিটার্নে উল্লেখ করা হয়নি। এক্ষেত্রে করনীয় কি?
আয়কর বর্ষ ২০২২-২০২৩এ আয়কর রিটার্ন জমা দিতে আপনার যা যা প্রয়োজন
ব্যক্তিগত তথ্য :
যেসব সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র দেওয়া বাধ্যতামূলক সেগুলো হলোঃ
১. ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ৫ লাখ টাকার বেশি ঋণের আবেদন করতে
সঞ্চয় পত্রের সুদ ( Income from Interest on Securities/Sanchaypatra)
১/ এ সুদ কোনো আয়ের টেক্স এর সাথে সমন্বয় হবে না।
চূড়ান্ত করদায় / ৮২ সি ধারায় কর নির্ধারণ পদ্ধতি:
আয়কর আইন অনুসারে কিছু কিছু পণ্য বিক্রি বা সেবা প্রদানের পরে বিল পরিশোদের সময় উৎসে কর কর্তন করতে হয় । এই উৎসে কর কর্তনের মধ্যে কিছু কিছু কর কর্তন ওই বিক্রেতা বা সেবা প্রদানকারীর চূড়ান্ত কর দায় হিসাবে গণ্য করা হয় অর্থাৎ ওই বিক্রি বা সেবার আয়ের উপর পরবর্তীতে তাকে আর নতুন কোন কর দিতে হবেনা এবং নতুন কোন আয়ও ধার্য করা হবে না, ফলে ইহাই তাহার চূড়ান্ত আয় ও চূড়ান্ত কর ।
আপনার এবারের আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল করতে নিচের ডকুমেন্টগুলো সংগ্রহ করে জমা দিন
ম্যানুয়ালী/অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করেছি। রিটার্ন দাখিলের পর কিছু ভুল তথ্য/হিসাব দেখতে পাচ্ছি, করণীয় কি?
ঠিকাদার সরবরাহকারী ইত্যাদি বিলের উপর উৎসে কর হারঃ
উৎসে কর কর্তন/সংগ্রহ সংক্রান্ত বিধানাবলি পরিপালনে ব্যর্থতার_ক্ষেত্রেঃ
** সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তি/প্রতিষ্ঠান উক্ত করের জন্য খেলাপি করদাতা(Assessee in default) হিসাবে অনাদায়ী সময়ের জন্য( ২৪ মাস) মাসিক ২% হারে অতিরিক্ত অর্থসহ সংশ্লিষ্ট আয়কর পরিশোধ করিবেন (ধারা-৫৭)
** এক বছরের জেল বা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রহিয়াছে(ধারা-১৬৪) ।
@সংশ্লিষ্ট বিধিঃ আয়কর বিধিমালার বিধি ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৮
@ সংশ্লিষ্ট ধারাঃ আয়কর অধ্যাদেশের ধারা ৫২, ৫৭, ৫৮, ৫৯
উৎসে কর্তনের সময়সীমাঃ
*জুলাই থেকে মে পর্যন্ত যে মাসে উৎসে কর কর্তন করা হবে তার পরের দুই সপ্তাহের মধ্যে জমা দিতে হবে।
আয়কর কর্তনকারী সংগ্রহকারী ও জমাদানকারী কর্তৃপক্ষঃ
উৎসে_আয়কর_কর্তনঃ
এ পদ্ধতিতে অর্থ পরিশোধকালেই প্রযোজ্য হারে কর কর্তন করে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়। অর্থ পরিশোধের সময়ই এই কর কেটে রাখা হয় তাই এই কর উৎসে কর (Tax Deducted at Source_TDS) হিসেবে পরিচিত। কর্তিত এই কর পরবর্তী আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় প্রদেয় করের সঙ্গে সমন্বয় করা যায় এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে রিটার্ন দাখিলের সময় অতিরিক্ত আয়কর পরিশোধ করতে হয় অথবা আয়কর প্রত্যর্পণ সৃষ্টি হয়। বেতন ছাড়াও এই কর কমিশন, ব্রোকারেজ, রয়্যালটি পেমেন্ট, চুক্তির ভিত্তিতে পরিশোধ, একাধিক আর্থিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আয়কৃত সুদ বা মুনাফা, পেশাগত ফি ইত্যাদির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। প্রতি বছর কোন খাতে উৎসে কর কতো তা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড প্রকাশ করে থাকে।
করমুক্ত এবং কর অব্যাহতি প্রাপ্ত আয়
সকল আয়েরই কর দিতে হয় না। সরকার বিশেষ কিছু খাতের আয় ও বিনিয়োগ বাড়াতে সেই সকল আয়কে করমুক্ত এবং কর অব্যাহতির সুবিধা ঘোষণা করেছে। ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়ের কয়েকটি খাত নিচে দেওয়া হলোঃ
(১) সরকারি চাকুরিজীবী করদাতা যদি চাকুরীর দায়িত্ব পালনের জন্য কোন বিশেষ ভাতা, সুবিধা বা আনুতোষিক (perquisite) পান
(২) পেনশন
(৩) অংশীদারী ফার্ম হতে পাওয়া মূলধনী মুনাফার (ফার্ম কর্তৃক কর পরিশোধিত) অংশ
(৪) ২ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত গ্রাচুইটি প্রাপ্তি
(৫) প্রভিডেন্ট ফান্ড (এ্যাক্ট, ১৯২৫ অনুযায়ী) থেকে প্রাপ্ত অর্থ
(৬) স্বীকৃত প্রভিডেন্ট ফান্ড থেকে প্রাপ্ত অর্থ
(৭) স্বীকৃত সুপারএ্যানুয়েশন ফান্ড থেকে প্রাপ্ত অর্থ
(৮) বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ (২০০৬ সনের ৪২ নং আইন) এর আওতাধীন যে কোন ব্যক্তি কর্তৃক প্রাপ্ত অংশের ৫০,০০০ টাকা অব্যহতি
(৯) মিউচুয়্যাল ফান্ড অথবা ইউনিট ফান্ড থেকে ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত আয় (সুদ, মুনাফা বা ডিভিডেন্ট)
(১০) পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত কোম্পানি কর্তৃক প্রদত্ত নগদ লভ্যাংশ ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত
(১১) সরকারি নিরাপত্তা জামানতের সুদ যা সরকার করমুক্ত বলে ঘোষণা করেছে
(১২) রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার পাহাড়ী অধিবাসীর দ্বারা এই জেলাগুলোতে পরিচালিত আর্থিক কর্মকান্ডের ফলে প্রাপ্ত আয়
(১৩) আয়কর অধ্যাদেশের আওতায় জারিকৃত কোন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কর অব্যাহতি বা হ্রাসকৃত কর হারের সুবিধা গ্রহণকারী করদাতা ব্যতীত অন্যান্য করদাতার রপ্তানি ব্যবসা হতে প্রাপ্ত আয়ের ৫০%
(১৪) আয়ের একমাত্র উৎস ’কৃষি খাত’ হলে কৃষি খাত হতে আয় ২,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত
(১৫) সফটওয়ার তৈরিসহ তথ্য-প্রযুক্তি সংশ্লিষ্ট কয়েকটি খাতের ব্যবসায় আয়। খাতগুলো সমূহ- (i) Software development; (ii) Software or application customization; (iii) Nationwide Telecommunication Transmission Network (NTTN); (iv) Digital content development and management; (v) Digital animation development; (vi) Website development; (vii) Web site services; (viii) Web listing; (ix) IT process outsourcing; (x) Website hosting; (xi) Digital graphics design; (xii) Digital data entry and processing; (xiii) Digital data analytics; (xiv) Geographic Information Services (GIS); (xv) IT support and software maintenance service; (xvi) Software test lab services; (xvii) Call center service; (xviii) Overseas medical transcription; (xix) Search engine optimization services; (xx) Document conversion, imaging and digital archiving; (xxi) Robotics process outsourcing; (xxii) Cyber security services; (xxiii) Cloud service; (xiv) System Integration; (xv) elearning platform; (xvi) e-book publications; (xvii) Mobile application development service; (xviii) IT Freelancing
(১৬) হাঁস-মুরগীর খামার হতে অর্জিত আয়ের ক্ষেত্রে প্রথম ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ‘শূন্য’ হারে, পরবর্তী ১০ লক্ষ টাকা আয়ের উপর ৫% হারে এবং অবশিষ্ট আয়ের উপর ১০% হারে কর প্রদেয় হবে (এসআরও নং-২৫৪-আইন/আয়কর/২০১৫)
(১৭) হাঁস-মুরগী, চিংড়ী ও মাছের হ্যাচারী এবং মৎস্য চাষ হতে অর্জিত আয়ের ক্ষেত্রে প্রথম ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ‘শূন্য’ হারে পরবর্তী ১০ লক্ষ টাকা আয়ের উপর ৫% হারে এবং অবশিষ্ট আয়ের উপর ১০% হারে কর প্রদেয় হবে;
(১৮) জিরো কূপন বন্ড থেকে উদ্ধৃত আয়
(১৯) কতিপয় ক্ষেত্র ব্যতীত ব্যক্তি করদাতা কর্তৃক স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভূক্ত কোম্পানির শেয়ার বিক্রয় হতে অর্জিত মূলধনী মুনাফা
(২০) হস্তশিল্পজাত পণ্য রপ্তানি হতে উদ্ভূত আয়
(২১) পেনশনার সঞ্চয়পত্র ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্রমযোজিত বিনিয়োগ হতে অর্জিত সুদ আয়
(২২) ওয়েজ আর্নার্স ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড, ইউএস ডলার নভেস্টমেন্ট বন্ড, ইউরো ইনভেস্টমেন্ট বন্ড, ইউরো প্রিমিয়াম বন্ড, পাউন্ড স্টারলিং ইনভেস্টমেন্ট বন্ড এবং পাউন্ড স্টারলিং প্রিমিয়াম বন্ড- এই ৭টি বন্ড হতে অর্জিত সুদ আয়কে করমুক্ত করা হয়েছে
(২৩) যেকোন পণ্য প্রস্তুতির সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে এবং বার্ষিক টার্ণওভার ৫০ লক্ষ টাকার অধিক নহে যে কোন Small and Medium Enterprise (SME) হতে এবং নারী উদ্যোক্তার জন্য বার্ষিক টার্নওভার ৭০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত
(২৪) বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট হতে প্রাপ্ত সম্মানী বা ভাতা কিংবা সরকার কর্তৃক প্রদত্ত কল্যাণ ভাতা;
(২৫) সরকারের নিকট হতে গৃহীত কোন পদক /পুরস্কার
(২৬) কোন Elderly care home পরিচালনা হতে অর্জিত আয়
(২৭) বাংলাদেশের কোন নাগরিক কর্তৃক বাংলাদেশের বাইরে উপার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা (foreign remittance) আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বাংলাদেশে আনয়ন করলে, উক্ত বাংলাদেশী নাগরিকের বিদেশে উপার্জিত আয়।
করমুক্ত আয়সমূহ করদাতার মোট আয়ের অন্তর্ভূক্ত হবে না। এটি করমুক্ত আয়ের কলামে প্রদর্শন করতে হবে।
রিটার্ন দাখিলের সময় ২০২২
স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাকে Tax Day ( কর দিবস ) এর মধ্যে আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে হবে। ২০২২-২০২৩ করবর্ষের জন্য ৩০ নভেম্বর ২০২২ তারিখ হচ্ছে কর দিবস, অর্থাৎ রিটার্ন দাখিলের সর্বশেষ তারিখ। একজন স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতা ১ জুলাই ২০২২ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৩ তারিখের মধ্যে ২০২২-২০২৩ করবর্ষের রিটার্ন দাখিল করবেন।
কোন ব্যক্তি যিনি পূর্বে কখন-ই রিটার্ন দাখিল করেননি তার জন্য ৩০ জুন ২০২২ তারিখে সমাপ্ত আয়বর্ষের জন্য করবর্ষ এর সর্বশেষ দিন অর্থাৎ ৩০ জুন ২০২৩ হচ্ছে কর দিবস ( Tax Day )।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করা সম্ভব না হলে করদাতা রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা বাড়ানোর জন্য নির্ধারিত ফরমে উপযুক্ত কারণ উল্লেখপূর্বক উপ-কর কমিশনারের কাছে সময়ের আবেদন করতে পারেন। সময় মঞ্জুর হলে বর্ধিত সময়ের মধ্যে সাধারণ অথবা সার্বজনীন স্বনির্ধারণী পদ্ধতির আওতায় রিটার্ন দাখিল করা যাবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল না করা হলে উপকর কমিশনার বিলম্ব সুদ (delay interest) আরোপ করবেন। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করা করদাতার জন্য সুবিধাজনক।
কখন কর শুন্য রিটার্ন জমা দিতে পারবেন?
যদি আপনার মোট করযোগ্য আয় করমুক্ত আয়সীমার নিচে থাকে, তাহলে আপনি আয়কর শুন্য দেখিয়ে রিটার্ন (Zero Tax Return) জমা দিতে পারবেন। এখন দেখে নেওয়া যাক করমুক্ত আয়সীমা কার জন্য কত টাকা?
| করদাতার প্রকৃতি | করমুক্ত আয়সীমা (টাকা) |
| ৬৫ বছরের অনুর্ধ্ব বয়সের পুরুষ করদাতা | ৩,০০,০০০ |
| ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের পুরুষ করদাতা | ৩,৫০,০০০ |
| মহিলা করদাতা | ৩,৫০,০০০ |
| প্রতিবন্ধী ব্যক্তি করদাতা | ৪,৫০,০০০ |
| গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা | ৪,৭৫,০০০ |
- প্রতিবন্ধী সন্তান বা পোষ্য রয়েছে এমন পিতামাতা বা আইনানুগ অভিভাবকের ক্ষেত্রে করমুক্ত সীমা প্রত্যেক সন্তান বা পোষ্যের জন্য ৫০,০০০ টাকা বেশি হবে। তবে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতা ও মাতা উভয়েই করদাতা হলে যেকোন একজন এই সুবিধা পাবেন।
কখন আয়কর রিটার্নে সম্পদ বিবরণী দাখিল করা বাধ্যতামূলক নয়
সরকার করজাল সম্প্রসারণ করতে প্রতিনিয়তই করদাতার পরিমাণ বৃদ্ধি করছে। যারফলে অনেক প্রান্তিক ও ক্ষুদ্রকরদাতার পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বছর শেষে রিটার্ন জমার পরিমাণও বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু রিটার্ন পূরণ করতে গিয়ে বেশিরভাগ করদাতা সম্পদ ও ব্যয় বিবরণী প্রস্তুতে ভুল করেন এবং রিটার্ন জমা দিয়ে শেষে সমস্যায় পড়েন। তাই প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র করদাতাদের সম্পদ ও ব্যয় বিবরণী জমার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪ অনুযায়ী ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের আয়কর রিটার্নে সম্পদ বিবরণী (IT-10B2016) এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বিবরণী (IT-10BB2016) দাখিল করা বাধ্যতামূলক। তবে অর্থ আইন ২০২০ আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪-এর ৮০ ধারা সংশোধনী করে শুধুমাত্র নিম্নোক্ত শর্তসমূহ পূরণ হলেও তাদের জন্য আয়কর রিটার্নে সম্পদ বিবরণী (IT-10B2016) এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বিবরণী (IT-10BB2016) দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে:
- আয় বছরের শেষ তারিখে মোট পরিসম্পদ (gross wealth) এর পরিমাণ ৪০ লক্ষ টাকার অধিক হলে অথবা
- আয় বছরের শেষ তারিখে মোটর গাড়ি (জীপ বা মাইক্রোবাসসহ) এর মালিকানা থাকলে; অথবা
- আয় বছরে কোন সিটি কর্পোরেশন এলাকায় কোন গৃহ-সম্পত্তি বা এপার্টমেন্টের মালিক অথবা গৃহ-সম্পদ বা এপার্টমেন্টে বিনিয়োগ করলে।
তবে রিটার্নে সাথে সম্পদ ও আয়-ব্যয় বিবরণী জমা দেওয়া উত্তম। অনেক করদাতার বিপুল সম্পদ ও আয় থাকে। কিন্তু ফাঁকি দিতে রিটার্নে মোট পরিসম্পদ মূল্য এবং আয় কম দেখান। একসময় তিনি ফ্ল্যাট বা জমি কেনেন, অথবা ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন। সে সময় রিটার্নে সম্পদের উৎসের বিষয়ে সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারে না বলে তিনি বেকায়দায় পড়েন। কোন করদাতা রিটার্ন দাখিলের প্রথম থেকে সম্পদ ও ব্যয় সঠিকভাবে দেখালে ভবিষ্যতে ঝামেলায় পড়বেন না।
উৎসে আয়কর কর্তনকৃত (TDS) টাকা জমাদানের সময়
আয়কর বিধি, ১৯৮৪ এর বিধি ১৩ এ উৎসে আয়কর কর্তনকৃত (TDS) টাকা কতদিনের ভিতর সরকারী কোষাগারে জমা দিতে হবে তা উল্লেখ করা হয়েছে।
| উৎসে আয়কর কর্তন সময় | উৎসে আয়কর কর্তনকৃত টাকা জমাদানের সময় |
|---|---|
| জুলাই-মে | যে মাসে উৎস আয়কর কর্তন করা হবে, তার পরের মাসের ২ সপ্তাহের মধ্যে |
| জুন মাসের প্রথম ২০ দিন | উৎসে আয়কর কর্তনর ৭ দিনের মধ্যে |
| জুন মাসের ২১ থেকে ৩০ তারিখ (শেষের দুই কর্মদিবস বাদে) | পরের দিন |
| জুন মাসের শেষ দুই কর্মদিবস | যেদিনে উৎসে আয়কর কর্তন করা হবে সেই দিনে |
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কিছু সরকারি ও বেসরকারি সেবাগ্রহণে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩৯টি সেবার জন্য এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে, যার ফলে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে নির্দিষ্ট কিছু সেবা পেতে আগে আয়কর...
-
1. ট্যাক্স এজেন্ট কি ? ট্যাক্স এজেন্ট হবে এনবিআর এর পক্ষে দেশব্যাপী করদাতা সনাক্ত , কর আদায় এবং রিটার্ন দাখিলে সহয়তাকারি ...
-
Perquisite has been defined as follows: Perquisite means - (i) Any payment made to an employee by an employer in the f...
-
VAT FormS Narration VAT-2.1 Registration form for VAT &Turnover Tax VAT-2...