শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২২

চূড়ান্ত করদায় / ৮২ সি ধারায় কর নির্ধারণ পদ্ধতি:

 আয়কর আইন অনুসারে কিছু কিছু পণ্য বিক্রি বা সেবা প্রদানের পরে বিল পরিশোদের সময় উৎসে কর কর্তন করতে হয় । এই উৎসে কর কর্তনের মধ্যে কিছু কিছু কর কর্তন ওই বিক্রেতা বা সেবা প্রদানকারীর চূড়ান্ত কর দায় হিসাবে গণ্য করা হয় অর্থাৎ ওই বিক্রি বা সেবার আয়ের উপর পরবর্তীতে তাকে আর নতুন কোন কর দিতে হবেনা এবং নতুন কোন আয়ও ধার্য করা হবে না, ফলে ইহাই তাহার চূড়ান্ত আয় ও চূড়ান্ত কর ।

চূড়ান্ত করদায় হিসাবে গণ্য হয় এমন কিছু বিক্রি বা সেবা সমুহ নিন্মরুপঃ
১) পণ্য সরবরাহের কাজ বা চুক্তির অধিনে কাজ সম্পাদন করে দেয়া বিলের উপর উৎসে কর কর্তন (ধারা ৫২)
২) কোন প্রপার্টি রেজিঃ এর সময় উৎসে কর কর্তন ( ধারা ৫৩ এইচ )
৩) রিয়েল এস্টেট / ভুমি উন্নয়ন ব্যবসায়, ভুমি / ফ্লাট রেজিঃ এর সময় উৎসে কর কর্তন (ধারা ৫৩ এফ এফ )
৪) নিটওয়্যার, ওভেন গার্মেন্টস ইত্যাদি রফতানি সময় উৎসে কর কর্তন ( ধারা ৫৩ বিবি )
৫) নির্ধারিত কিছু মালামাল আমদানির সময় উৎসে কর কর্তন ( ধারা ৫৩ )
৬) রয়েলিটি, কারিগরি সেবার ফিস ইত্যাদি প্রদানের সময় উৎসে কর কর্তন ( ধারা ৫২ এ (২)
৭) সি অ্যান্ড এফ বিজনেসে প্রাপ্ত কমিশন যাহার উপর উৎসে কর কর্তন ( ধারা ৫২ এএএ )
৮) সম্পদ অধিগ্রহনের ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তি যাহার উপর উৎসে কর কর্তন ( ধারা ৫২ সি )
৯) পেনশনার সাভিং সার্টিফিকেট, ওয়েজ আর্নার ডেভোলপমেন্ট বন্ডের সুদ হতে উৎসে কর কর্তন(ধারা ৫২ডি)
১০) এছাড়াও ধারা ৫২বি, ৫২এন, ৫২ও, ৫২আর, ৫৩এএ, ৫৩বি, ৫৩বিবিবি, ৫৩সি, ৫৩সিসি, ৫৩ ডিডিডি, ৫৩জি, ৫৩জিজি, ৫৩এম, ৫৩এন, ৫৩ ও এবং ধারা ৫৫ অনুসারে সকল উৎসে কর কর্তন চূড়ান্ত কর দায় হিসাবে গণ্য হবে।
উপরক্ত ধারার আয়সমুহ উৎসে কর্তন করা করের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে এবং এই আয় অন্য খাতের ক্ষতির সাতে সমন্বয় করা যাবে না । এছাড়াও এই কর অন্য খাতের আয়ের উপর আরপিত করের সাতে সমন্বয় করা যাবে না এবং পরবর্তী কর বর্ষে জের টানা যাবেনা বা ফেরত দাবীও করা যাবেনা ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কিছু সরকারি ও বেসরকারি সেবাগ্রহণে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩৯টি সেবার জন্য এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে, যার ফলে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে নির্দিষ্ট কিছু সেবা পেতে আগে আয়কর...