শুক্রবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৩

কি কি কারণে/ভুলে উপ-কর কমিশনার কর্তৃক অডিটের জন্য সুপারিশ প্রেরণ বা পুনঃজমা বা সংশোধন বা জরিমানা করতে পারে ?

 

বর্ণিত কারণগুলো যথাযথভাবে রিটার্নে না আসলে উপ-কর

 কমিশনার কর্তৃক অডিটের জন্য সুপারিশ প্রেরণ বা পুনঃজমা

 বা সংশোধন বা জরিমানার আওতায় আসতে পারে–

1. নির্ধারিত সময়ের জন্য আয়কর গণনায় ভুল হলে

2. আয়করের খাত যথাযথভাবে নির্ধারণ করা না হলে

3. বিনিয়োগের রেয়াত গণনায় ভুল হলে বা যত টাকা রেয়াত পাওয়ার

 কথা তার চেয়ে কম বা বেশি রেয়াত দেখালে

4. আগের বছরের তুলনায় আয় কম দেখালে বা বাদ পড়া আয় এ

 বছর হিসাবে দেখানো হয়েছে কিন্তু যথাযথভাবে ব্যাখ্যা না দিলে

5. করদাতা যদি বাড়ি বা স্থাপনা ভাড়া খাতে আয় থাকে এবং মাসিক

 ভাড়া ২৫ হাজার টাকা বেশি হয়, তাহলে ব্যাংক চ্যানেল ব্যবহার না

 করে নগদে ভাড়া আদায় দেখালে

6. বিনিয়োগের পরিমাণে যথাযথ দলিলপত্রাদি না দেখালে

7. কৃষি জমি দেখানো হয়েছে, কিন্তু কৃষি খাতে আয় দেখানো না

 হলে

8. সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ দেখানো হয়েছে, কিন্তু সঞ্চয়পত্রের মুনাফা

 রিটার্নে না দেখালে

9. সংযুক্তিসমূহ, যেমন- সম্পত্তি ক্রয়/বিক্রয় হলে দলিলের

 ফটোকপি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ইত্যাদি ডকুমেন্ট সংযুক্ত না করলে

10. দেশি বা বিদেশি আত্মীয় থেকে উপহার গ্রহণ করলে এবং তা

 আয়কর বিবরণীতে না দেখালে

11. গাড়ি দেখানো আছে, কিন্তু গাড়ি মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ ও

 গাড়িচালকের ব্যয় না দেখালে

12.খাতভিত্তিক পারিবারিক খরচ দেখানো না হলে

13. পুরুষ করদাতার বয়স ৬৫ বছর বা তার ঊর্ধ্বে নয়, কিন্তু

 করমুক্তসীমা হিসাব করা হয়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা

14. এফডিআর দেখানো হয়েছে, কিন্তু এফডিআর থেকে প্রাপ্ত

 মুনাফা/সুদ দেখানো না হলে

15. আয়ের ক্ষেত্রে বৈধ ডকুমেন্ট দেখাতে ব্যর্থ হলে

16. পারিবারিক খরচ আবাসিক অবস্থানের তুলনায় কম বা বেশি

 দেখানো হলে

17. ব্যাংকের চ্যানেল ব্যতীত ব্যক্তিগত লোন আদান-প্রদান করা হলে

18. ফ্ল্যাট ক্রয় সংশ্লিষ্ট এলাকার মৌজা রেটের কম দেখালে বা

 অধিক মূল্যে ক্রয় করে কর ফাঁকি দেওয়ার জন্য কমমূল্য দেখিয়ে

 রেজিস্ট্রি করা হলে

19. দোকান বা মার্কেট আছে ভাড়া বা ব্যবসা খাতে আয় দেখানো না

 হলে

20. একাধিক গাড়ি থাকলে সারচার্জ না দিলে

21. স্ত্রী বা স্বামীর বা অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানের নামে থাকা সম্পত্তির

 হিসাব না দিলে

22. একই বিষয়ে বা কোনও স্থায়ী সম্পত্তি ক্রয়ের জন্য বহু বছর ধরে

 অগ্রিম দেখানো

23. রিটার্ন গরমিল থাকলে বা না মিললে বা পজিটিভ বা নেগেটিভ

 অঙ্ক পরিলক্ষিত হলে


রিটার্ন জমা দিয়েছেন ২৮ লাখ ৫১ হাজার করদাতা,আয়কর পরিশোধ ৪১০০ কোটি টাকা

 

চলতি করবর্ষে নিয়মিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিয়ে আয়কর পরিশোধ হয়েছে ৪ হাজার ১০০ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার রিটার্ন দাখিলে প্রবৃদ্ধির হার ২৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। গত বছর এ সময় পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করেছিলেন ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৬২৫ করদাতা। গত করবর্ষে আয়কর আদায় হয়েছিল ৩ হাজার ২৮১ কোটি টাকা।




ইটিআইএনধারীর অর্ধেকও রিটার্ন জমা দেননি : বর্তমানে কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (ইটিআইএন) আছেন ৮২ লাখের কিছু বেশি। অর্থাৎ এসব ব্যক্তি করজালের আওতায় আছেন। প্রত্যেক ইটিআইএনধারী করদাতার রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতা থাকলেও এবার নিয়মিত সময়ের মধ্যে (১ জানুয়ারি) রিটার্ন জমা দিয়েছেন ২৮ লাখ ৫১ হাজার করদাতা। আরও ২ লাখ ৫০ হাজার করদাতা চলতি করবর্ষে রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ চেয়ে আবেদন করেছেন।

ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের অভিভাবক ও বিলাসী গাড়ির মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে এনবিআর

 

ইটিআইএনধারীর অর্ধেকও রিটার্ন জমা দেননি : বর্তমানে কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (ইটিআইএন) আছেন ৮২ লাখের কিছু বেশি। অর্থাৎ এসব ব্যক্তি করজালের আওতায় আছেন। প্রত্যেক ইটিআইএনধারী করদাতার রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতা থাকলেও এবার নিয়মিত সময়ের মধ্যে (১ জানুয়ারি) রিটার্ন জমা দিয়েছেন ২৮ লাখ ৫১ হাজার করদাতা। আরও ২ লাখ ৫০ হাজার করদাতা চলতি করবর্ষে রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ চেয়ে আবেদন করেছেন।

চলতি করবর্ষে নিয়মিত সময়ের মধ্যে রিটার্ন জমা দিয়ে আয়কর পরিশোধ হয়েছে ৪ হাজার ১০০ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার রিটার্ন দাখিলে প্রবৃদ্ধির হার ২৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ। এ ক্ষেত্রে রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। গত বছর এ সময় পর্যন্ত রিটার্ন দাখিল করেছিলেন ২২ লাখ ৯৯ হাজার ৬২৫ করদাতা। গত করবর্ষে আয়কর আদায় হয়েছিল ৩ হাজার ২৮১ কোটি টাকা।


চলতি করবর্ষের নিয়মিত সময়ে রিটার্ন জমা দিয়েছেন ইটিআইএনধারীর অর্ধেকেরও কম। ফলে কর পরিশোধে সক্ষমতা থাকার পরও যারা রিটার্ন জমা দেননি তাদের খোঁজে নামছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। চলতি করবর্ষে কেউ রিটার্ন জমা না দিলে বা রিটার্নে মিথ্যা তথ্য দিলে তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

গতকাল সোমবার থেকে এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে এনবিআরের বিভিন্ন কর অঞ্চলের কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত একাধিক কমিটি। এসব কমিটি প্রথম ধাপে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের শিক্ষার্থীদের অভিভাবক, বিলাসবহুল গাড়ির মালিক, বিভিন্ন করপোরেট হাউজে কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্যরা রিটার্ন জমা দিয়েছেন কি না তার তথ্য খতিয়ে দেখবে।


এনবিআর সূত্রে আরও জানা গেছে, সাধারণত বিভিন্ন করপোরেট হাউজ থেকে তাদের কর্মকর্তাদের কর পরিশোধ করে থাকে। অনেক সময় রিটার্ন জমা দিয়ে দেয় বা রিটার্ন জমার কাজে সহযোগিতা করে থাকে। এর আগে এনবিআরের তদন্তে দেখা গেছে, করপোরেট হাউজ থেকে এনবিআরের পাওনার কম রাজস্ব পরিশোধ করেছে।


অতীতে এনবিআরের শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর থেকে জাল কাগজপত্র নিয়ে রাস্তায় চলছে এমন প্রায় শতাধিক বিলাসবহুল গাড়ি চিহ্নিত করেছে এনবিআর। এসব গাড়ির মালিক মিথ্যা ঘোষণায় আনা গাড়ি কিনেছেন বা আমদানি করে ব্যবহার করেছেন। চলতি করবর্ষে গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে বিলাসবহুল গাড়ির মাালিকদের চিহ্নিত করে রিটার্ন জমার তথ্য খতিয়ে দেখা হবে।


চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কিছু সরকারি ও বেসরকারি সেবাগ্রহণে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩৯টি সেবার জন্য এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে, যার ফলে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে নির্দিষ্ট কিছু সেবা পেতে আগে আয়কর...