** যাবতীয় সম্পদ ও দায় সংক্রান্ত তথ্য দিবেন যা পরের বার সংযুক্ত করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে,
** বেতন খাতে আয়ের ক্ষেত্রে পারকুইজিট হিসেবে কি কি সুবিধা পাবেন ভালো করে জেনে নিন,
** আগামী বছর কোনো সম্পদ কেনার পরিকল্পনা থাকলে চলতি বছরের ফাইলে পরিকল্পনা রাখুন ,
** সকল কাগজপত্রের এককপি এবং রিটার্নের এক কপি ফটোকপি অবশ্যই রাখবেন নিজের কাছে,
** অনলাইনে রিটার্ন জমাদানের আগে এক্সেলসিটে কিংবা হাতে-কলমে আগেই হিসেব মিলিয়ে নিন,
** না বুঝে অনুমান নির্ভর অনলাইন 'সাবমিট' করে ফেলবেন না, একবার সাবমিট প্রেস করলে আর আনডু করার সুযোগ নেই তাই সময় নিন। এটি একটি আইনগত বিষয়, ফেসবুক কিংবা টুইটারে একাউন্ট খোলা নয়; অডিটে পড়লে যাবতীয় ডকুমেন্টস সরবরাহ করতে হবে ,
**পরামর্শক দিয়ে ফাইল করলে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ ক্যালকুলেশন ও ব্যাখ্যা সাধ্যমতো বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করবেন,
** আয়কর রিটার্ন স্লিপ ও সার্টিফিকেটে আপনার সার্কেল ও জোনের সিলসহ সাইন পড়েছে কি না দেখে নিন,
** একবার রিটার্ন দেওয়ার পর ব্যাংকিং লেনদেনে স্বচ্ছতা বজায় রাখার চেষ্টা করুন যা পরবর্তী বছরে কাজে লাগবে,
** নিজের ফাইল নিজে করতে পারলে সবচেয়ে ভালো, অন্যথায় কম্পিউটারের দোকান কিংবা কম টাকায় অদক্ষ কাউকে দিয়ে রিটার্ন ফাইল না করিয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ আয়কর পরামর্শকের সহায়তা নিন।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন