1.
পেনশন সঞ্চয়পত্রে ৫০ লাখ টাকা থেকে এ সীমা বাড়িয়ে এক কোটি টাকা করার প্রস্তাব করেছে
অধিদপ্তর।
2.
পাশাপাশি পেনশন সঞ্চয়পত্রের মুনাফা তিন মাসের পরিবর্তে মাসে মাসে পরিশোধেরও প্রস্তাব
করা হয়েছে।
3.
পরিবার সঞ্চয়পত্র’ কেনার ক্ষেত্রে পুরুষের বয়সসীমা কমানো যায় কি না, সেই প্রস্তাবও
অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আইআরডি সচিবের কাছে তুলে ধরা হয়।
4.
প্রকৃত গ্রাহকই যাতে সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন, সে জন্য সরকারের টিআইএন সার্ভারের সঙ্গে
সঞ্চয়পত্র ক্রেতাদের টিআইএন মিলিয়ে দেখার কথা ভাবা হচ্ছে।
চার প্রকার সঞ্চয়পত্র চালু আছে দেশে। এরমধ্যে পরিবার সঞ্চয়পত্র ছাড়া সব সঞ্চয়পত্রে মুনাফা দেওয়া হয় তিন মাস অন্তর। অর্থাৎ শুধু পরিবার সঞ্চয়পত্রের মুনাফা দেওয়া হয় প্রতি মাসে। এবার প্রস্তাব করা হয়েছে সব (তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র, পেনশন সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্র এবং পরিবার সঞ্চয়পত্র) সঞ্চয়পত্রে প্রতিমাসে মুনাফা দেওয়ার। জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তর এ ধরনের একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগে।
বর্তমানে পরিবার সঞ্চয়পত্র ১০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকার কেনা যায়। কোন নাগরিকের বয়স ১৮ বা এর বেশি মহিলা, শারীরিক প্রতিবন্ধী পুরুষ ও মহিলা এবং ৬৫ বছর ও তার বেশি পুরুষ ও মহিলা কিনতে পারেন। পেনশন সঞ্চয়পত্রের ক্রয়সীমা ৫০ লাখ টাকা ছিল। এখন এক কোটি টাকা করার প্রস্তাব করা হচ্ছে। পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের ডুপ্লিকেট ইস্যুও ম্যানুয়ালি করা যাবে। এ সংক্রান্ত মতামত অর্থ বিভাগের কাছে পাঠিয়েছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন