মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২২

আমি ইতোমধ্যে ম্যানুয়ালী/অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করেছি। রিটার্ন দাখিলের পর কিছু ভুল তথ্য/হিসাব দেখতে পাচ্ছি, করণীয় কি?

 

Ans: রিটার্ন দাখিলের ১৮০ দিনের মধ্যে ভুল ধরা পেয়ে থাকলে ৮২বিবি(ধারায় সংশোধিত রিটার্ন দাখিল 
করা যায়। তবে তার পূর্বে রিটার্নটি অডিটের জন্য নির্বাচিত হয়ে থাকলে সংশেধিত রিটার্ন দাখিল করা যাবে না।
সংশোধিত রিটার্নটি আপনি প্রযোজ্য সকল সংশোধন করে এর প্রথম পাতার উপর ‘82BB (5) ধারায় ভুল সংশোধনী রিটার্ন ' মার্ক করে এবং প্রতিটি ভুলের প্রকৃতি  কারণের একটি লিখিত বিবরণ সংযুক্ত করবেন (ছবি সংযুক্ত) অতিরিক্ত কর পরিশোধ প্রযোজ্য হলেচালান/পে-অর্ডার মারফত আয়কর পরিশোধ করে তা সংযুক্ত করবেন।
অনলাইনে রিভাইজ রিটার্ন দাখিল করা যায় না। যারা অনলাইনে দাখিলকৃত রিটার্ন এর রিভাইজ রিটার্ন সাবমিট করতে চান, তাঁরা সংশ্লিষ্ট সার্কেলে ম্যানুয়ালী রিভাইজ রিটার্ন জমা দিবেন।

আমি যদি কিছু টাকা দিয়ে একটি জমি মেদি/কট/ভূতে রাখি সেক্ষেত্রে রিটার্নে কোথায় কিভাবে দেখাতে হবে?

 

Ans: জমিতে অর্থ বিনিয়োগের চুক্তি পত্রের কপি জমা দিবেন। আয়কর রিটার্ন ফর্মের বিনিয়োগের ঘরে লিখবেন।

চলতি বছরের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে আপনার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র -(Required documents for submission of Income Tax return)

 

ব্যক্তিগত তথ্য :
1. ই-টিন সার্টিফিকেট ফটোকপি
2. জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
3. পাসপোর্ট সাইজ ফটো এক কপি।
চাকরির তথ্য :
1. বেতন বিবরনী (অফিস কর্তৃক) (০১/০৭/২০২১ থেকে ৩০/০৬/২০২২)
2. ব্যাংক হিসাব বিবরনী (০১/০৭/২০২১ থেকে ৩০/০৬/২০২২)
3. উৎসে কর কর্তন সার্টিফিকেট
4. প্রভিডেন্ট ফান্ড সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
গৃহ সম্পত্তি হতে আয় থাকলে:
1. বাড়ী ভাড়ার প্রাপ্ত রশিদ
2. বাড়ী ভাড়ার চুক্তিপত্র
3. বাড়ী ভাড়ার টাকা ব্যাংকে নিয়ে থাকলে ব্যাংক বিবরনী
4. হোল্ডিং ট্যাক্স ও ভূমি কর/খাজনা
ব্যবসায়ের তথ্য:
1. ট্রেড লাইসেন্স
2. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী
3. সম্পদ ও দ্বায় বিবরনী
4. ব্যাংক হিসাব বিবরনী (০১/০৭/২০২১ থেকে ৩০/০৬/২০২২)
বিনিয়োগের তথ্য:
1. ডিপিএস (যদি থাকে)
2. ইন্সুরেন্স সার্টিফিকেট (যদি থাকে).
3. শেয়ার মার্কেট বিনিয়োগ (যদি থাকে)
4. সঞ্চয় পত্র সার্টিফিকেট (যদি থাকে)
সম্পদ ও দায় বিবরনীঃ
1. হাউস, এপার্টমেন্ট (যদি নিজ নামে থাকে)
2. জমি, গাড়ী, ফার্নিচার, ইলেক্ট্রনিকসস ইত্যাদি।
(যদি নিজের নামে থাকে)
3. ব্যাংক ঋণের তথ্য (যদি নিজ নামে হয়)
4. অন্যান্য ঋণের তথ্য (যদি নিজ নামে হয়)।
যারা প্রতিবছর রিটার্ন জমা দেন তাদের বিগত বছরের রিটার্ন জমার কপি।
বিঃদ্রঃ (যাহার জন্য যাহা প্রযোজ্য)

অবসরকালীন জিপিএফ (GP Fund) থেকে চূড়ান্ত উত্তোলিত অর্থের ওপর আয়কর আরোপ হবে কিনা?

 

জিপিএফ এর টাকা বেতন থেকে কেটে জমা করা হয় । কাটার আগে বেতন থেকে উৎসে কর কর্তন করা হয় । পরবর্তীতে রিটার্ন দেয়ার সময় গ্রস বেতন ভাতার উপর প্রদেয় কর নির্ধারণ করা হয়। প্রদেয় কর থেকে উৎসে কর্তনকৃত কর বাদ দিয়ে বাকিটা চালানে পরিশোধ করা হয়। অর্থাৎ জিপিএফ এর টাকা কর পরিশোধিত আয় থেকে বিনিয়োগ, এবং সরকারের নিকট বিনিয়োগকৃত সম্পদ।
এ বিনিয়োগের উপর রিবেট পাওয়া যায় । এটি সম্পদ বিবরনীতে বিনিয়োগ হিসেবে আসবে । আর এটির উপর সরকার যে লভ্যাংশ বা সুদ দেয় ১৪.৫০% হারে তা করমুক্ত ।
কাজেই উত্তোলন বা নগদায়নের সময় আলাদা ভাবে আর কোন আয়কর দিতে হবে না, তখন এটা সম্পদ নগদায়ন করা হয়, এটি আয় নহে।
সরকারি চাকরি জীবিদের জিপিএফ এর টাকা হতে উৎসে কর কর্তন হয় না। জিপিএফ এর টাকা সম্পুর্ন আয়কর মুক্ত ।

জিপিএফ এর দুটো অংশ, প্রথম মূল বিনিয়োগ যা বেতন থেকে মাসভিত্তিক কর্তন করা হয়, দ্বিতীয় লভ্যাংশ বা সুদ যা বৎসর শেষে গত ৩০ জুনের স্থিতির উপর নির্ধারিত হারে প্রদান করা হয় ।
বিনিয়োগ অংশ মূল বেতন থেকেই আসে, এটি করযোগ্য, কারন পুরো বেতনই করযোগ্য, অন্যদিকে লভ্যাংশ (বেতনের ১/৩ অংশ এবং ১৪.৫% সুদ এর মধ্যে যা কম), তা সরকার সুদ মুক্ত ঘোষণা করেছে 

কিভাবে অনলাইনে খুব সহজে ই-রিটার্ন জমা দেবেন?

 

যা যা লাগবেঃ
১) ১২ ডিজিটের ই-টিন নাম্বার
২) আয়কর দাতার নামে নিবন্ধিত মোবাইল নাম্বার
৩) পূর্বে আয়কর দিয়ে থাকলে তার একটি নমুনা
৪) ব্যাংক স্টেটমেন্ট
৫) সর্বশেষ বছরের বেতন বিলের পুরনাঙ্গ বিবরণী
৬) ডিপিএস, এফডিআর, সঞ্চয়পত্রের বিবরণী( যদি থাকে)
৭) অন্যান্য বিবরণী( যদি থাকে)
ধাপ-১ঃ https://etaxnbr.gov.bd/#/auth/sign-in এই সাইটে প্রবেশ করুন
ধাপ- ২ঃ eReturn এ ক্লিক করুন
পরবর্তী ধাপগুলোর জন্য ছবির ক্যাপশনগুলো দেখুন
মনে রাখবেন, প্রতিটি ধাপ শেষে Save & Continue দিবেন। তাহলে কোন তথ্য হারাবে না। আপনি চাইলে সর্বশেষ Submit করার আগে যতবার খুশি পরিবর্তন করতে পারবেন।
আপনি আয়কর বিকাশ/নগদ/ রকেট/ কার্ড/ নেক্সাস-পে তে দিতে পারবেন। মাঝে মাঝে সার্ভার ব্যস্ত থাকলে কিছু সময়পর আবার চেষ্টা করুন। আয়কর রিটার্ন পে করার সাথে সাথে আপনার মোবাইলে এসএমএস আসবে।
আসুন সরকারের ডিজিটালইজেশনের সুবিধা নেয়, হয়রানিমুক্ত, দূর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ি

কোন বিদেশির রেমুনারেশন হতে টিডিএস কেটে কোন কোডে জমা করতে হবে? উল্লেখ্য উনার কোন টিন নেই।


Ans: 

Code-  1-1141-0090-0101

মূসক (Value Added Tax License Exam) পরামর্শক লাইসেন্স-২০২৩


মূসক পরামর্শক লাইসেন্স ২০২৩ এর জন্যে আবেদন শুরু হয়েছে, আবেদনের শেষ সময় ৩১শে ডিসেম্বর'২০২২। তবে ৬/৭ দিন হাতে রেখেই আপনি অনলাইনে এবং রেজিষ্টার ডাকযোগে আপনার আবেদন করে নিবেন।
এক নজরে মূসক পরামর্শক লাইসেন্স:
⭐ যোগ্যতা:
** প্রার্থীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
** বয়স অন্যূন ২৫ বছর হতে হবে;
** স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রী;
⭐অযোগ্যতা:
** সরকার বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অধীনে চাকুরীরত ব্যক্তি;
** সরকারী, আধা-সরকারী, স্বায়ত্ত্বশাসিত,
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অধীনে চাকুরি হতে অপসারিত, বরখাস্তকৃত, বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি;
** ফৌজদারি অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি, ৫ বছর অতিবাহিত না হলে;
** ইতঃপূর্বে যাদের মূসক পরামর্শক, C&F, ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার্স, কুরিয়ার সার্ভিস এজেন্ট, শিপিং এজেন্ট বা আয়কর লাইসেন্স বাতিল হয়েছে তারা আবেদনের অযোগ্য হবেন।
⭐ আবেদনের সাথে সংযুক্ত দলিলাদিঃ
** বয়স নির্ধারণের জন্য এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সনদ;
** পাসপোর্ট আকারের ছবি ( ৩ কপি) ;
** সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের কপি;
** জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি;
** পরীক্ষার ফি বাবদ ৫,০০০/- টাকার পে অর্ডার কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমীর অনুকূলে;
⭐ আবেদন:
ওয়েবসাইট এ অনলাইনে আবেদন করতে হবে। যাদের ইউজার আইডি আছে তাদের লগইন করে আর যাদের নেই সাইন আপ করে নতুন আইডি খোলে লগইন করে Forms থেকে Add Form থেকে Mushok 18.1 ফরম পূরণ বিন নাম্বার ব্যতিত বাকি তথ্য যথাযথভাবে পূরণ করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট স্ক্যান কপি সংযুক্ত করে দিয়ে সাবমিট করতে হবে। সেই সাথে পে- অর্ডার সহ সকল প্রয়োজনীয় দলিলাদি সত্যায়িত করে
মহাপরিচালক - কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমি, চট্রগ্রাম এ রেজিস্টার ডাকযোগে প্রেরণ করতে হবে অবশ্যই ৩১শে ডিসেম্বর'২০২২ এর আগেই।
⭐ পরীক্ষা:
** মহাপরিচালক সুবিধাজনক সময়ে নির্ধারিত সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করিবেন;
** লিখিত(১০০ নম্বর) ও মৌখিক(৫০ নম্বর) পরীক্ষায় পৃথকভাবে ন্যূনতম ৫০% নম্বর পেতে হবে।
** ট্রেনিং একাডেমির মহাপরিচালক ১৫ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা বোর্ডে প্রেরণ করবেন এবং উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মূসক নিবন্ধন গ্রহণ করিতে হবে;
** মহাপরিচালক মূসক-১৮.১ক ফরমে মূসক পরামর্শক লাইসেন্স প্রদান করবেন।
☀️ ব্যতিক্রম:
মূসক বিভাগে ৯ম গ্রেডের নিম্নে নহেন এমন পদে ন্যূনতম ৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন চার্টার্ট একাউন্টেড বা চার্টার্ট সেক্রেটারিগনকে আবেদন যথাযথ প্রাপ্তি সাপেক্ষে(পরীক্ষা ব্যতিরেকে) মূসক পরামর্শক লাইসেন্স প্রদান করা যাইবে।
🔘 নোট: আবেদনের সময় প্রার্থীর মূসক নিবন্ধন না থাকলেও চলবে, তবে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে নিবন্ধন নিয়ে সার্টিফিকেট নিতে হবে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কিছু সরকারি ও বেসরকারি সেবাগ্রহণে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩৯টি সেবার জন্য এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে, যার ফলে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে নির্দিষ্ট কিছু সেবা পেতে আগে আয়কর...