মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২২

মূসক (Value Added Tax License Exam) পরামর্শক লাইসেন্স-২০২৩


মূসক পরামর্শক লাইসেন্স ২০২৩ এর জন্যে আবেদন শুরু হয়েছে, আবেদনের শেষ সময় ৩১শে ডিসেম্বর'২০২২। তবে ৬/৭ দিন হাতে রেখেই আপনি অনলাইনে এবং রেজিষ্টার ডাকযোগে আপনার আবেদন করে নিবেন।
এক নজরে মূসক পরামর্শক লাইসেন্স:
⭐ যোগ্যতা:
** প্রার্থীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
** বয়স অন্যূন ২৫ বছর হতে হবে;
** স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রী;
⭐অযোগ্যতা:
** সরকার বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অধীনে চাকুরীরত ব্যক্তি;
** সরকারী, আধা-সরকারী, স্বায়ত্ত্বশাসিত,
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অধীনে চাকুরি হতে অপসারিত, বরখাস্তকৃত, বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি;
** ফৌজদারি অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি, ৫ বছর অতিবাহিত না হলে;
** ইতঃপূর্বে যাদের মূসক পরামর্শক, C&F, ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার্স, কুরিয়ার সার্ভিস এজেন্ট, শিপিং এজেন্ট বা আয়কর লাইসেন্স বাতিল হয়েছে তারা আবেদনের অযোগ্য হবেন।
⭐ আবেদনের সাথে সংযুক্ত দলিলাদিঃ
** বয়স নির্ধারণের জন্য এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সনদ;
** পাসপোর্ট আকারের ছবি ( ৩ কপি) ;
** সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের কপি;
** জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি;
** পরীক্ষার ফি বাবদ ৫,০০০/- টাকার পে অর্ডার কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমীর অনুকূলে;
⭐ আবেদন:
ওয়েবসাইট এ অনলাইনে আবেদন করতে হবে। যাদের ইউজার আইডি আছে তাদের লগইন করে আর যাদের নেই সাইন আপ করে নতুন আইডি খোলে লগইন করে Forms থেকে Add Form থেকে Mushok 18.1 ফরম পূরণ বিন নাম্বার ব্যতিত বাকি তথ্য যথাযথভাবে পূরণ করে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট স্ক্যান কপি সংযুক্ত করে দিয়ে সাবমিট করতে হবে। সেই সাথে পে- অর্ডার সহ সকল প্রয়োজনীয় দলিলাদি সত্যায়িত করে
মহাপরিচালক - কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ট্রেনিং একাডেমি, চট্রগ্রাম এ রেজিস্টার ডাকযোগে প্রেরণ করতে হবে অবশ্যই ৩১শে ডিসেম্বর'২০২২ এর আগেই।
⭐ পরীক্ষা:
** মহাপরিচালক সুবিধাজনক সময়ে নির্ধারিত সিলেবাস অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করিবেন;
** লিখিত(১০০ নম্বর) ও মৌখিক(৫০ নম্বর) পরীক্ষায় পৃথকভাবে ন্যূনতম ৫০% নম্বর পেতে হবে।
** ট্রেনিং একাডেমির মহাপরিচালক ১৫ দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করে যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা বোর্ডে প্রেরণ করবেন এবং উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মূসক নিবন্ধন গ্রহণ করিতে হবে;
** মহাপরিচালক মূসক-১৮.১ক ফরমে মূসক পরামর্শক লাইসেন্স প্রদান করবেন।
☀️ ব্যতিক্রম:
মূসক বিভাগে ৯ম গ্রেডের নিম্নে নহেন এমন পদে ন্যূনতম ৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অবসর প্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন চার্টার্ট একাউন্টেড বা চার্টার্ট সেক্রেটারিগনকে আবেদন যথাযথ প্রাপ্তি সাপেক্ষে(পরীক্ষা ব্যতিরেকে) মূসক পরামর্শক লাইসেন্স প্রদান করা যাইবে।
🔘 নোট: আবেদনের সময় প্রার্থীর মূসক নিবন্ধন না থাকলেও চলবে, তবে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে নিবন্ধন নিয়ে সার্টিফিকেট নিতে হবে।

TIN (Taxpayer’s Identification Number)

 


    ** যেহেতু NID দিয়ে TIN সার্টিফিকেটের জন্য রেজিস্ট্রেশন করা হয় সুতরাং একজন ব্যক্তি একবারই TIN রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে।

    ** TIN সার্টিফিকেটের অধিকাংশ তথ্য যেমন: নাম, জন্ম তারিখ ইত্যাদি নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজ থেকে অটোমেটিক আপডেট হয়। সুতরাং এই সকল তথ্য NID সংশোধন না করলে, TIN সার্টিফিকেটেও সংশোধন করা যাবে না

    ** শুধু মাত্র Father Name, Mother Name, Spouse Name, Gender, E-mail address, Facsimile, Present Address, Permanent Address, Other Address পরিবর্তন করা যাবে।

    ** TIN সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে বা কোন কারণে নতুন করে TIN সার্টিফিকেট ডাউনলোড করার দরকার হলে নিচে ঠিকানায় গিয়ে login করতে পারেন।


    ** কোন কারণে User Name জানা না থাকলে NBR Helpline: 09611-777111 or 333 তে ফোন করে জেনে নিতে হবে। (অনলাইনে User Name Recovery অপশনটি আপাতত নিরাপত্তার জন্য বন্ধ আছে, তাই Helpline-এ ফোন করে জানা ছাড়া বিকল্প নেই)

    ** User Name জানার পর Password Recovery করে login করা যাবে।

    ** Login করার পর বাম পাশের View TIN Certificate নামক বাটনে ক্লিক করলে TIN Certificate পাওয়া যাবে।

যাদের TIN Number আছে তাদের জন্য রিটার্ন সাবমিট করা বাধ্যতামূলক

 

ফ্রিল্যান্সার ভাই/বোনেরা আপনারা অনেকেই হয়তো TIN Account খুলেছিলেন মার্কেটপ্লেসের রিকোয়ারমেন্ট ফিলাপ করার জন্য। বিশেষ করে মাইক্রোস্টোক মার্কেটপ্লেস (সাটারস্টোক, এডোবিস্টোক) ইত্যাদির ট্যাক্স ফর্ম পূরন করার জন্য। এই মার্কেটগুলোর ট্যাক্স ফর্ম ফিলাপ করার জন্য TIN Number সাবমিট করা বাধ্যতামূলক ছিল যদি আমি ভুল না হয়ে থাকি।
** আপনারা কি জানেন আপনাদের যাদের TIN Number আছে তাদের জন্য জিরো রিটার্ন সাবমিট করা বাধ্যতামূলক। আপনি যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই রিটার্ন সাবমিট না করেন তাহলে পরবর্তীতে আপনি অনেক প্রবলেম এ পড়তে পারেন। এমনকি আপনাকে জরিমানাও করা হতে পারে ট্যাক্স আইন অনুযায়ী।
তাই আপনাকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই জিরো রিটার্ন সাবমিট করতে হবে।
স্বাভাবিকভাবেই আপনার মনে প্রশ্ন আসতেই পারে আমি কি অনলাইনে জিরো রিটার্ন দিতে পারব?
-- হ্যা আপনি অনলাইনে জিরো রিটার্ন সাবমিট করতে পারবেন
** অনলাইনে আপনি কীভাবে জিরো রিটার্ন সাবমিট করবেন?
১. আপনার ল্যাপটপ/ডেস্কটপ এর ব্রাউজার অপেন করে সার্চ করেন ereturn তাহলে বাংলাদেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অফিসিয়াল সাইট পেয়ে যাবেন। আমি নিচে ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দিয়ে দিচ্ছি

2. ওয়েবসাইটে ঢুকে প্রথম পেইজেই দেখতে পাবেন eReturn নামে অপশন আছে। ওই জায়গায় ক্লিক করলে আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করতে বলবে। রেজিস্ট্রেশনের জন্য আপনার TIN Number এবং মোবাইল নাম্বার প্রয়োজন হবে। বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রার করা মোবাইল নাম্বার দিবেন যেটা আপনি TIN একাউন্ট যে NID দিয়ে করেছিলেন ওই NID দিয়ে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রার করা থাকতে হবে।
নোট: অধিকাংশ মানুষ (যেমনটি প্রথমে আমিও করেছিলাম) এইখানে যেকোনো মোবাইল নাম্বার দিয়ে দেন। যেটা করা একদমই উচিত নয়।
পরপর ৩ বার আপনি ভুল নাম্বার দিলে আপনাকে ব্লক করে দিবে।
৩. রেজিস্ট্রার করার পর পাসওয়ার্ড সেট করে নিবেন যেটা আপনার পুনরায় লগিন করার জন্য প্রয়োজন হবে।
** লগিন করার পর আপনি ফরম ফিলাপ করে নিবেন। এখানে কোনো ভুল ইনফরমেশন দিবেন না। আপনার অথেনটিক সব ইনফরমেশন দিবেন।

আয়কর রিটার্ন করার আগে নিচের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিশ্চিত হয়ে নিন

 

৩১ ডিসেম্বর পযর্ন্ত জরিমানা ছাড়া ব্যক্তি করদাতা রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। তার আগে আয়কর রিটার্ন তৈরি নির্ভুল হয়েছে কি-না তা নিশ্চিত হওয়া দরকার।
** কারণ কিছু বাদ পড়লে বা ভুল হলে পরে সমস্যা হতে পারে। তাই রিটার্ন দাখিল করার আগে নিচের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিশ্চিত হয়ে নিন।
**করযোগ্য আয় গণনা ঠিক আছে কি?
**সম্পূর্ণ বিনিয়োগ ভাতা হিসেব করেছেন তো?
**উৎসে কর কর্তন বাদ দিয়েছেন কী?
**পূর্বের বছরের অতিরিক্ত কর সমন্বয় করেছেন তো?
**সম্পদ এবং দায় পূর্ণাঙ্গ দেখিয়েছেন কি?

৩১শে ডিসেম্বর'২০২২ এর পূর্বেই অনুমোদিত ভ্যাট সফটওয়্যার ব্যবহার বাধ্যতামূলক-

 

যে সকল প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয়ভাবে ভ্যাট নিবন্ধিত, তাদের ৩১শে ডিসেম্বর'২০২২ এর পূর্বেই অনুমোদিত ভ্যাট সফটওয়্যার ব্যবহার বাধ্যতামূলক। অন্যথায় কেন্দ্রীয় নিবন্ধন বাতিল হবে এবং পুনরায় নিবন্ধন নিতে হবে।
রেফারেন্স:
SRO No:১৭৪ আইন/২০২২/১৮৭ মূসক।

শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২২

আমি ইতিপূর্বে রিটার্ন জমা করেছি কিন্তু ভুলে ৫ লাখ টাকার সঞ্চয় পত্র রিটার্নে উল্লেখ করা হয়নি। এক্ষেত্রে করনীয় কি?

 উত্তরঃ সর্ব শেষ আয়কর রিটার্ন এ উক্ত বিনিয়োগ প্রদর্শন করতে হবে আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর ধারা ১৯ অনুযায়ী অব্যাখ্যায়িত বিনিয়োগের অংক প্রাপ্তি বা অর্জনের সঠিক ব্যাখ্যা প্রদর্শন করবেন। ব্যাখ্যা যদি উপ কর কমিশনার সন্তোষজনক মনে না করেন সে ক্ষেত্রে করদাতার প্রদর্শিত অংকটিকে আয় হিসাবে গণ্য করা হবে। এবং উক্ত আয় অন্যান্য সূত্রের আয় হিসেবে শ্রেনীবদ্ধ হবে।

আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর (৪)
কোন কর নির্ধারণী বছরের অব্যবহিত পূর্ববর্তী অর্থ বছরে করদাতা যদি এমন কোন বিনিয়োগ করেন যে উক্ত বিনিয়োগ বিষয়ে তার হিসাব বহি, যদি থাকে, তাতে কোন হিসাব উল্লেখ করা হয়নাই এবং করদাতা উক্ত বিনিয়োগের উৎস সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে না পারেন অথবা প্রদত্ত ব্যাখ্যা সন্তোষজনক মনে না করেন তবে সেই বিনিয়োগ অংক করদাতার অন্যান্য সূত্রের আয় হিসেব গণ্য করা হবে।
অর্থাৎ ৫ লাখ টাকার অপ্রদর্শিত বিনিয়োগ প্রদর্শন পূর্বক সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান করা গেলে উপ কর কমিশনার উক্ত বিনিয়োগকে গ্রহণ করে রিটার্নের কার্যক্রম নিস্পন্ন করতে পারবেন।
আবার যদি করদাতার ইতিপূর্বে জমাকৃত রিটার্ন এর সম্পদের পরিমাণ এর সাথে চলতি বছরে আয় এবং প্রাপ্তি যোগ করে অতিরিক্ত অংক পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে উপকর কমিশনার উক্ত অতিরিক্ত অংক আয় হিসাবে যোগ করে কর ধার্য্য করবেন।

আয়কর বর্ষ ২০২২-২০২৩এ আয়কর রিটার্ন জমা দিতে আপনার যা যা প্রয়োজন

 ব্যক্তিগত তথ্য :

1. Photocopy of E-TIN certificate.
2. Photocopy of NID.
3. 1 copy Passport size photo
চাকুরির তথ্য :
1. Salary certificate.
2. Bank statement from 01-07-2021 to 30-06-2022.
3. Provident fund info. (if any)
ব্যবসায়ের তথ্য:
1. ট্রেড লাইসেন্স
2. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী
3. সম্পদ ও দ্বায় বিবরনী
4. ব্যাংক স্টেটমেন্ট
বিনিয়োগের তথ্য:
1. D.P.S (যদি থাকে)
2. Insurance certificate (যদি থাকে).
3. Share Market Investment (যদি থাকে)
4. (সঞ্চয় পত্র - যদি থাকে)
সম্পদ ও দায় বিবরনীঃ
1. House, Apartment (যদি নিজ নামে থাকে)
2. Land, Car , Furniture , Electronics, etc. (যদি নিজের নামে থাকে)
3. Bank Loan info. (যদি নিজ নামে হয়)
4. Others Lo(যদি নিজ নামে হয়)।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কিছু সরকারি ও বেসরকারি সেবাগ্রহণে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩৯টি সেবার জন্য এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে, যার ফলে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে নির্দিষ্ট কিছু সেবা পেতে আগে আয়কর...