মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২২

TIN (Taxpayer’s Identification Number)

 


    ** যেহেতু NID দিয়ে TIN সার্টিফিকেটের জন্য রেজিস্ট্রেশন করা হয় সুতরাং একজন ব্যক্তি একবারই TIN রেজিস্ট্রেশন করতে পারবে।

    ** TIN সার্টিফিকেটের অধিকাংশ তথ্য যেমন: নাম, জন্ম তারিখ ইত্যাদি নির্বাচন কমিশনের ডাটাবেজ থেকে অটোমেটিক আপডেট হয়। সুতরাং এই সকল তথ্য NID সংশোধন না করলে, TIN সার্টিফিকেটেও সংশোধন করা যাবে না

    ** শুধু মাত্র Father Name, Mother Name, Spouse Name, Gender, E-mail address, Facsimile, Present Address, Permanent Address, Other Address পরিবর্তন করা যাবে।

    ** TIN সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে বা কোন কারণে নতুন করে TIN সার্টিফিকেট ডাউনলোড করার দরকার হলে নিচে ঠিকানায় গিয়ে login করতে পারেন।


    ** কোন কারণে User Name জানা না থাকলে NBR Helpline: 09611-777111 or 333 তে ফোন করে জেনে নিতে হবে। (অনলাইনে User Name Recovery অপশনটি আপাতত নিরাপত্তার জন্য বন্ধ আছে, তাই Helpline-এ ফোন করে জানা ছাড়া বিকল্প নেই)

    ** User Name জানার পর Password Recovery করে login করা যাবে।

    ** Login করার পর বাম পাশের View TIN Certificate নামক বাটনে ক্লিক করলে TIN Certificate পাওয়া যাবে।

যাদের TIN Number আছে তাদের জন্য রিটার্ন সাবমিট করা বাধ্যতামূলক

 

ফ্রিল্যান্সার ভাই/বোনেরা আপনারা অনেকেই হয়তো TIN Account খুলেছিলেন মার্কেটপ্লেসের রিকোয়ারমেন্ট ফিলাপ করার জন্য। বিশেষ করে মাইক্রোস্টোক মার্কেটপ্লেস (সাটারস্টোক, এডোবিস্টোক) ইত্যাদির ট্যাক্স ফর্ম পূরন করার জন্য। এই মার্কেটগুলোর ট্যাক্স ফর্ম ফিলাপ করার জন্য TIN Number সাবমিট করা বাধ্যতামূলক ছিল যদি আমি ভুল না হয়ে থাকি।
** আপনারা কি জানেন আপনাদের যাদের TIN Number আছে তাদের জন্য জিরো রিটার্ন সাবমিট করা বাধ্যতামূলক। আপনি যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই রিটার্ন সাবমিট না করেন তাহলে পরবর্তীতে আপনি অনেক প্রবলেম এ পড়তে পারেন। এমনকি আপনাকে জরিমানাও করা হতে পারে ট্যাক্স আইন অনুযায়ী।
তাই আপনাকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই জিরো রিটার্ন সাবমিট করতে হবে।
স্বাভাবিকভাবেই আপনার মনে প্রশ্ন আসতেই পারে আমি কি অনলাইনে জিরো রিটার্ন দিতে পারব?
-- হ্যা আপনি অনলাইনে জিরো রিটার্ন সাবমিট করতে পারবেন
** অনলাইনে আপনি কীভাবে জিরো রিটার্ন সাবমিট করবেন?
১. আপনার ল্যাপটপ/ডেস্কটপ এর ব্রাউজার অপেন করে সার্চ করেন ereturn তাহলে বাংলাদেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অফিসিয়াল সাইট পেয়ে যাবেন। আমি নিচে ওয়েবসাইটের লিঙ্ক দিয়ে দিচ্ছি

2. ওয়েবসাইটে ঢুকে প্রথম পেইজেই দেখতে পাবেন eReturn নামে অপশন আছে। ওই জায়গায় ক্লিক করলে আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করতে বলবে। রেজিস্ট্রেশনের জন্য আপনার TIN Number এবং মোবাইল নাম্বার প্রয়োজন হবে। বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রার করা মোবাইল নাম্বার দিবেন যেটা আপনি TIN একাউন্ট যে NID দিয়ে করেছিলেন ওই NID দিয়ে বায়োমেট্রিক রেজিস্ট্রার করা থাকতে হবে।
নোট: অধিকাংশ মানুষ (যেমনটি প্রথমে আমিও করেছিলাম) এইখানে যেকোনো মোবাইল নাম্বার দিয়ে দেন। যেটা করা একদমই উচিত নয়।
পরপর ৩ বার আপনি ভুল নাম্বার দিলে আপনাকে ব্লক করে দিবে।
৩. রেজিস্ট্রার করার পর পাসওয়ার্ড সেট করে নিবেন যেটা আপনার পুনরায় লগিন করার জন্য প্রয়োজন হবে।
** লগিন করার পর আপনি ফরম ফিলাপ করে নিবেন। এখানে কোনো ভুল ইনফরমেশন দিবেন না। আপনার অথেনটিক সব ইনফরমেশন দিবেন।

আয়কর রিটার্ন করার আগে নিচের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিশ্চিত হয়ে নিন

 

৩১ ডিসেম্বর পযর্ন্ত জরিমানা ছাড়া ব্যক্তি করদাতা রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। তার আগে আয়কর রিটার্ন তৈরি নির্ভুল হয়েছে কি-না তা নিশ্চিত হওয়া দরকার।
** কারণ কিছু বাদ পড়লে বা ভুল হলে পরে সমস্যা হতে পারে। তাই রিটার্ন দাখিল করার আগে নিচের ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিশ্চিত হয়ে নিন।
**করযোগ্য আয় গণনা ঠিক আছে কি?
**সম্পূর্ণ বিনিয়োগ ভাতা হিসেব করেছেন তো?
**উৎসে কর কর্তন বাদ দিয়েছেন কী?
**পূর্বের বছরের অতিরিক্ত কর সমন্বয় করেছেন তো?
**সম্পদ এবং দায় পূর্ণাঙ্গ দেখিয়েছেন কি?

৩১শে ডিসেম্বর'২০২২ এর পূর্বেই অনুমোদিত ভ্যাট সফটওয়্যার ব্যবহার বাধ্যতামূলক-

 

যে সকল প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয়ভাবে ভ্যাট নিবন্ধিত, তাদের ৩১শে ডিসেম্বর'২০২২ এর পূর্বেই অনুমোদিত ভ্যাট সফটওয়্যার ব্যবহার বাধ্যতামূলক। অন্যথায় কেন্দ্রীয় নিবন্ধন বাতিল হবে এবং পুনরায় নিবন্ধন নিতে হবে।
রেফারেন্স:
SRO No:১৭৪ আইন/২০২২/১৮৭ মূসক।

শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২২

আমি ইতিপূর্বে রিটার্ন জমা করেছি কিন্তু ভুলে ৫ লাখ টাকার সঞ্চয় পত্র রিটার্নে উল্লেখ করা হয়নি। এক্ষেত্রে করনীয় কি?

 উত্তরঃ সর্ব শেষ আয়কর রিটার্ন এ উক্ত বিনিয়োগ প্রদর্শন করতে হবে আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর ধারা ১৯ অনুযায়ী অব্যাখ্যায়িত বিনিয়োগের অংক প্রাপ্তি বা অর্জনের সঠিক ব্যাখ্যা প্রদর্শন করবেন। ব্যাখ্যা যদি উপ কর কমিশনার সন্তোষজনক মনে না করেন সে ক্ষেত্রে করদাতার প্রদর্শিত অংকটিকে আয় হিসাবে গণ্য করা হবে। এবং উক্ত আয় অন্যান্য সূত্রের আয় হিসেবে শ্রেনীবদ্ধ হবে।

আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর (৪)
কোন কর নির্ধারণী বছরের অব্যবহিত পূর্ববর্তী অর্থ বছরে করদাতা যদি এমন কোন বিনিয়োগ করেন যে উক্ত বিনিয়োগ বিষয়ে তার হিসাব বহি, যদি থাকে, তাতে কোন হিসাব উল্লেখ করা হয়নাই এবং করদাতা উক্ত বিনিয়োগের উৎস সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে না পারেন অথবা প্রদত্ত ব্যাখ্যা সন্তোষজনক মনে না করেন তবে সেই বিনিয়োগ অংক করদাতার অন্যান্য সূত্রের আয় হিসেব গণ্য করা হবে।
অর্থাৎ ৫ লাখ টাকার অপ্রদর্শিত বিনিয়োগ প্রদর্শন পূর্বক সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান করা গেলে উপ কর কমিশনার উক্ত বিনিয়োগকে গ্রহণ করে রিটার্নের কার্যক্রম নিস্পন্ন করতে পারবেন।
আবার যদি করদাতার ইতিপূর্বে জমাকৃত রিটার্ন এর সম্পদের পরিমাণ এর সাথে চলতি বছরে আয় এবং প্রাপ্তি যোগ করে অতিরিক্ত অংক পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে উপকর কমিশনার উক্ত অতিরিক্ত অংক আয় হিসাবে যোগ করে কর ধার্য্য করবেন।

আয়কর বর্ষ ২০২২-২০২৩এ আয়কর রিটার্ন জমা দিতে আপনার যা যা প্রয়োজন

 ব্যক্তিগত তথ্য :

1. Photocopy of E-TIN certificate.
2. Photocopy of NID.
3. 1 copy Passport size photo
চাকুরির তথ্য :
1. Salary certificate.
2. Bank statement from 01-07-2021 to 30-06-2022.
3. Provident fund info. (if any)
ব্যবসায়ের তথ্য:
1. ট্রেড লাইসেন্স
2. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী
3. সম্পদ ও দ্বায় বিবরনী
4. ব্যাংক স্টেটমেন্ট
বিনিয়োগের তথ্য:
1. D.P.S (যদি থাকে)
2. Insurance certificate (যদি থাকে).
3. Share Market Investment (যদি থাকে)
4. (সঞ্চয় পত্র - যদি থাকে)
সম্পদ ও দায় বিবরনীঃ
1. House, Apartment (যদি নিজ নামে থাকে)
2. Land, Car , Furniture , Electronics, etc. (যদি নিজের নামে থাকে)
3. Bank Loan info. (যদি নিজ নামে হয়)
4. Others Lo(যদি নিজ নামে হয়)।

যেসব সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র দেওয়া বাধ্যতামূলক সেগুলো হলোঃ

 ১. ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ৫ লাখ টাকার বেশি ঋণের আবেদন করতে

২. কোনো কোম্পানির পরিচালক কিংবা স্পনসর শেয়ারহোল্ডার হতে
৩. আমদানি ও রপ্তানি নিবন্ধন সনদ পেতে
৪. সিটি করপোরেশন বা পৌর এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নবায়ন করতে
৫. সমবায় সমিতির নিবন্ধন প্রাপ্তি
৬. বীমা বা সার্ভেয়ার হিসেবে তালিকাভুক্তি বা লাইসেন্স প্রাপ্তি ও নবায়ন করতে
৭. সিটি করপোরেশন, জেলা সদরের পৌর এলাকা বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি, রেজিস্ট্রেশন, দলিল হস্তান্তর, বায়না বা পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি দেওয়ার ক্ষেত্রে চুক্তিমূল্য ১০ লাখ টাকার বেশি হলে
৮. ব্যাংক থেকে ক্রেডিট কার্ড নিতে হলে
৯. চিকিৎসক, ডেন্টিস্ট, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, খরচ ও ব্যবস্থাপনা হিসাবরক্ষক, প্রকৌশলী, স্থপতি বা সার্ভেয়ার বা যে কোনো পেশাদার সংগঠনের সদস্যপদ প্রাপ্তি
১০. মুসলিম বিবাহ ও তালাক আইনের অধীনে বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে লাইসেন্স প্রাপ্তি
১১. কোনো ব্যবসায়ী বা পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যপদ প্রাপ্তি
১২. ড্রাগ লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা লাইসেন্স, পরিবেশ ছাড়পত্র, বিএসটিআই লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নবায়নে
১৩. আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্পের জন্য গ্যাস সংযোগ প্রাপ্তি
১৪. ভাড়ায় চালিত লঞ্চ, স্টিমার, মাছ ধরা জলযান, ট্রলার, কার্গো, কোস্টার এবং বার্জের জন্য সার্ভে সার্টিফিকেট প্রাপ্তি
১৫. জেলা প্রশাসন বা পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ইট তৈরির অনুমতি পেতে
১৬. সিটি করপোরেশন বা জেলা সদর পৌরসভায় সন্তান বা পোষ্যকে আন্তর্জাতিক পাঠ্যক্রমের ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে বা জাতীয় পাঠ্যক্রমের অধীনে ইংরেজি ভার্সনে ভর্তি করতে
১৭. সিটি করপোরেশন বা সেনানিবাস এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে
১৮. কোনো কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটরশিপ বা এজেন্টশিপ পেতে
১৯. অস্ত্রের লাইসেন্স পেতে
২০. আমদানির উদ্দেশ্যে ঋণপত্র খুলতে
২১. ৫ লাখ টাকার বেশি পোস্টাল সেভিংস অ্যাকাউন্ট খুলতে
২২. ১০ লাখ টাকার বেশি ক্রেডিট ব্যালেন্সসহ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে
২৩. ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে
২৪. পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন বা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে
২৫. মোটরগাড়ি, জমি, বাসস্থান বা যে কোনো স্থাবর সম্পদ সংশ্লিষ্ট অংশিদারত্ব ব্যবসা করতে
২৬. কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন নেওয়ার সময়
২৭. সরকার বা সরকারি কোনো সংস্থা, করপোরেশন থেকে 'বেতন' শিরোনামে মূল বেতন হিসেবে ১৬ হাজার বা তার বেশি টাকা পাওয়ার সময়
২৮. মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক উপায়ে অর্থ স্থানান্তরে কোনো কমিশন, ফি জাতীয় অর্থ পেতে
২৯. পরামর্শক, ক্যাটারিং, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, জনবল সরবরাহ বা নিরাপত্তা সেবা দিয়ে অর্থ গ্রহণ করতে
৩০. সরকারের কাছ থেকে মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার (এমপিও) হিসেবে প্রতি মাসে ১৬ হাজার বা তার বেশি টাকা পেতে
৩১. বীমা কোম্পানির এজেন্সি হিসেব নিবন্ধন বা পুনর্নবীকরণ করতে
৩২. দুই বা তিন চাকা ছাড়া যে কোনো ধরনের মোটরগাড়ি নিবন্ধন, মালিকানা পরিবর্তন বা ফিটনেস নবায়ন করতে
৩৩. কোনো এনজিওকে বা মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির অধীনে কোনো মাইক্রো ক্রেডিট সংস্থার কাছে বিদেশি অনুদান ছাড় দেওয়ার ক্ষেত্রে
৩৪. ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কোনো পণ্য বা সেবা বিক্রি করতে
৩৫. কোনো ক্লাবের সদস্যপদ পেতে চাইলে
৩৬. পণ্য সরবরাহ, চুক্তি সম্পাদন বা সেবা প্রদানের জন্য টেন্ডারের কাগজপত্র জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে
৩৭. আমদানি বা রপ্তানির জন্য বাংলাদেশ থেকে বিল অফ এন্ট্রি জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে
৩৮. ভবন নির্মাণের জন্য রাজউকসহ চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন ও পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে
যে দপ্তর বা প্রতিষ্ঠান থেকে এসব সেবা নেয়া হবে, সেসব প্রতিষ্ঠান যদি সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র না দেখে সেবা দেয়, তাহলে ওই প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কিছু সরকারি ও বেসরকারি সেবাগ্রহণে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩৯টি সেবার জন্য এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে, যার ফলে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে নির্দিষ্ট কিছু সেবা পেতে আগে আয়কর...