মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২২

৩১শে ডিসেম্বর'২০২২ এর পূর্বেই অনুমোদিত ভ্যাট সফটওয়্যার ব্যবহার বাধ্যতামূলক-

 

যে সকল প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয়ভাবে ভ্যাট নিবন্ধিত, তাদের ৩১শে ডিসেম্বর'২০২২ এর পূর্বেই অনুমোদিত ভ্যাট সফটওয়্যার ব্যবহার বাধ্যতামূলক। অন্যথায় কেন্দ্রীয় নিবন্ধন বাতিল হবে এবং পুনরায় নিবন্ধন নিতে হবে।
রেফারেন্স:
SRO No:১৭৪ আইন/২০২২/১৮৭ মূসক।

শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২২

আমি ইতিপূর্বে রিটার্ন জমা করেছি কিন্তু ভুলে ৫ লাখ টাকার সঞ্চয় পত্র রিটার্নে উল্লেখ করা হয়নি। এক্ষেত্রে করনীয় কি?

 উত্তরঃ সর্ব শেষ আয়কর রিটার্ন এ উক্ত বিনিয়োগ প্রদর্শন করতে হবে আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর ধারা ১৯ অনুযায়ী অব্যাখ্যায়িত বিনিয়োগের অংক প্রাপ্তি বা অর্জনের সঠিক ব্যাখ্যা প্রদর্শন করবেন। ব্যাখ্যা যদি উপ কর কমিশনার সন্তোষজনক মনে না করেন সে ক্ষেত্রে করদাতার প্রদর্শিত অংকটিকে আয় হিসাবে গণ্য করা হবে। এবং উক্ত আয় অন্যান্য সূত্রের আয় হিসেবে শ্রেনীবদ্ধ হবে।

আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর (৪)
কোন কর নির্ধারণী বছরের অব্যবহিত পূর্ববর্তী অর্থ বছরে করদাতা যদি এমন কোন বিনিয়োগ করেন যে উক্ত বিনিয়োগ বিষয়ে তার হিসাব বহি, যদি থাকে, তাতে কোন হিসাব উল্লেখ করা হয়নাই এবং করদাতা উক্ত বিনিয়োগের উৎস সম্পর্কে ব্যাখ্যা দিতে না পারেন অথবা প্রদত্ত ব্যাখ্যা সন্তোষজনক মনে না করেন তবে সেই বিনিয়োগ অংক করদাতার অন্যান্য সূত্রের আয় হিসেব গণ্য করা হবে।
অর্থাৎ ৫ লাখ টাকার অপ্রদর্শিত বিনিয়োগ প্রদর্শন পূর্বক সন্তোষজনক ব্যাখ্যা প্রদান করা গেলে উপ কর কমিশনার উক্ত বিনিয়োগকে গ্রহণ করে রিটার্নের কার্যক্রম নিস্পন্ন করতে পারবেন।
আবার যদি করদাতার ইতিপূর্বে জমাকৃত রিটার্ন এর সম্পদের পরিমাণ এর সাথে চলতি বছরে আয় এবং প্রাপ্তি যোগ করে অতিরিক্ত অংক পাওয়া যায় সেক্ষেত্রে উপকর কমিশনার উক্ত অতিরিক্ত অংক আয় হিসাবে যোগ করে কর ধার্য্য করবেন।

আয়কর বর্ষ ২০২২-২০২৩এ আয়কর রিটার্ন জমা দিতে আপনার যা যা প্রয়োজন

 ব্যক্তিগত তথ্য :

1. Photocopy of E-TIN certificate.
2. Photocopy of NID.
3. 1 copy Passport size photo
চাকুরির তথ্য :
1. Salary certificate.
2. Bank statement from 01-07-2021 to 30-06-2022.
3. Provident fund info. (if any)
ব্যবসায়ের তথ্য:
1. ট্রেড লাইসেন্স
2. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী
3. সম্পদ ও দ্বায় বিবরনী
4. ব্যাংক স্টেটমেন্ট
বিনিয়োগের তথ্য:
1. D.P.S (যদি থাকে)
2. Insurance certificate (যদি থাকে).
3. Share Market Investment (যদি থাকে)
4. (সঞ্চয় পত্র - যদি থাকে)
সম্পদ ও দায় বিবরনীঃ
1. House, Apartment (যদি নিজ নামে থাকে)
2. Land, Car , Furniture , Electronics, etc. (যদি নিজের নামে থাকে)
3. Bank Loan info. (যদি নিজ নামে হয়)
4. Others Lo(যদি নিজ নামে হয়)।

যেসব সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র দেওয়া বাধ্যতামূলক সেগুলো হলোঃ

 ১. ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ৫ লাখ টাকার বেশি ঋণের আবেদন করতে

২. কোনো কোম্পানির পরিচালক কিংবা স্পনসর শেয়ারহোল্ডার হতে
৩. আমদানি ও রপ্তানি নিবন্ধন সনদ পেতে
৪. সিটি করপোরেশন বা পৌর এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নবায়ন করতে
৫. সমবায় সমিতির নিবন্ধন প্রাপ্তি
৬. বীমা বা সার্ভেয়ার হিসেবে তালিকাভুক্তি বা লাইসেন্স প্রাপ্তি ও নবায়ন করতে
৭. সিটি করপোরেশন, জেলা সদরের পৌর এলাকা বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকায় জমি, ভবন বা অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি, রেজিস্ট্রেশন, দলিল হস্তান্তর, বায়না বা পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি দেওয়ার ক্ষেত্রে চুক্তিমূল্য ১০ লাখ টাকার বেশি হলে
৮. ব্যাংক থেকে ক্রেডিট কার্ড নিতে হলে
৯. চিকিৎসক, ডেন্টিস্ট, আইনজীবী, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, খরচ ও ব্যবস্থাপনা হিসাবরক্ষক, প্রকৌশলী, স্থপতি বা সার্ভেয়ার বা যে কোনো পেশাদার সংগঠনের সদস্যপদ প্রাপ্তি
১০. মুসলিম বিবাহ ও তালাক আইনের অধীনে বিবাহ নিবন্ধক হিসেবে লাইসেন্স প্রাপ্তি
১১. কোনো ব্যবসায়ী বা পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যপদ প্রাপ্তি
১২. ড্রাগ লাইসেন্স, অগ্নিনিরাপত্তা লাইসেন্স, পরিবেশ ছাড়পত্র, বিএসটিআই লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নবায়নে
১৩. আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্পের জন্য গ্যাস সংযোগ প্রাপ্তি
১৪. ভাড়ায় চালিত লঞ্চ, স্টিমার, মাছ ধরা জলযান, ট্রলার, কার্গো, কোস্টার এবং বার্জের জন্য সার্ভে সার্টিফিকেট প্রাপ্তি
১৫. জেলা প্রশাসন বা পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ইট তৈরির অনুমতি পেতে
১৬. সিটি করপোরেশন বা জেলা সদর পৌরসভায় সন্তান বা পোষ্যকে আন্তর্জাতিক পাঠ্যক্রমের ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে বা জাতীয় পাঠ্যক্রমের অধীনে ইংরেজি ভার্সনে ভর্তি করতে
১৭. সিটি করপোরেশন বা সেনানিবাস এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে
১৮. কোনো কোম্পানির ডিস্ট্রিবিউটরশিপ বা এজেন্টশিপ পেতে
১৯. অস্ত্রের লাইসেন্স পেতে
২০. আমদানির উদ্দেশ্যে ঋণপত্র খুলতে
২১. ৫ লাখ টাকার বেশি পোস্টাল সেভিংস অ্যাকাউন্ট খুলতে
২২. ১০ লাখ টাকার বেশি ক্রেডিট ব্যালেন্সসহ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে
২৩. ৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে
২৪. পৌরসভা, উপজেলা, জেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন বা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে
২৫. মোটরগাড়ি, জমি, বাসস্থান বা যে কোনো স্থাবর সম্পদ সংশ্লিষ্ট অংশিদারত্ব ব্যবসা করতে
২৬. কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে বেতন নেওয়ার সময়
২৭. সরকার বা সরকারি কোনো সংস্থা, করপোরেশন থেকে 'বেতন' শিরোনামে মূল বেতন হিসেবে ১৬ হাজার বা তার বেশি টাকা পাওয়ার সময়
২৮. মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক উপায়ে অর্থ স্থানান্তরে কোনো কমিশন, ফি জাতীয় অর্থ পেতে
২৯. পরামর্শক, ক্যাটারিং, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, জনবল সরবরাহ বা নিরাপত্তা সেবা দিয়ে অর্থ গ্রহণ করতে
৩০. সরকারের কাছ থেকে মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার (এমপিও) হিসেবে প্রতি মাসে ১৬ হাজার বা তার বেশি টাকা পেতে
৩১. বীমা কোম্পানির এজেন্সি হিসেব নিবন্ধন বা পুনর্নবীকরণ করতে
৩২. দুই বা তিন চাকা ছাড়া যে কোনো ধরনের মোটরগাড়ি নিবন্ধন, মালিকানা পরিবর্তন বা ফিটনেস নবায়ন করতে
৩৩. কোনো এনজিওকে বা মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির অধীনে কোনো মাইক্রো ক্রেডিট সংস্থার কাছে বিদেশি অনুদান ছাড় দেওয়ার ক্ষেত্রে
৩৪. ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে কোনো পণ্য বা সেবা বিক্রি করতে
৩৫. কোনো ক্লাবের সদস্যপদ পেতে চাইলে
৩৬. পণ্য সরবরাহ, চুক্তি সম্পাদন বা সেবা প্রদানের জন্য টেন্ডারের কাগজপত্র জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে
৩৭. আমদানি বা রপ্তানির জন্য বাংলাদেশ থেকে বিল অফ এন্ট্রি জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে
৩৮. ভবন নির্মাণের জন্য রাজউকসহ চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন ও পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে
যে দপ্তর বা প্রতিষ্ঠান থেকে এসব সেবা নেয়া হবে, সেসব প্রতিষ্ঠান যদি সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র না দেখে সেবা দেয়, তাহলে ওই প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে।

সঞ্চয় পত্রের সুদ ( Income from Interest on Securities/Sanchaypatra)

 ১/ এ সুদ কোনো আয়ের টেক্স এর সাথে সমন্বয় হবে না।

২/সঞ্চয় পত্র হতে যে আয় করেছেন তার বিপরীতে সুদ উৎসে কর্তন করে নিয়েছে, তা এটা নিয়ে কোন চিন্তা করবেন না।
৩/ সঞ্চয় পত্রের সুদ ব্যতীত অন্য কোন আয়ের খাত থাকলে তার টেক্স আলাদা হিসেব করবেন, তার পর রেয়াত ষদি পান তা বাদ দিয়ে যদি টেক্স নূন্যতম কর এর কম ও হয়, ( সঞ্চয় পত্রের সুদ ব্যতীত) তাহলে ও নূন্যতম কর দিতে হবে।
৪/ সঞ্চয় পত্রের সুদ ব্যতীত সব খাতের আয় যোগ করে কর নির্ধারন করে, আয়ের সাথে সন্চয় পত্রের আয় যোগ করবেন, আবার সঞ্চয় পত্রের আয় ব্যতীত যে টেক্স নির্ধারণ করেছেন, তার সাথে সন্চয় পত্রের উৎসে কর্তন কৃত কর যোগ করে চূড়ান্ত কর হবে।

চূড়ান্ত করদায় / ৮২ সি ধারায় কর নির্ধারণ পদ্ধতি:

 আয়কর আইন অনুসারে কিছু কিছু পণ্য বিক্রি বা সেবা প্রদানের পরে বিল পরিশোদের সময় উৎসে কর কর্তন করতে হয় । এই উৎসে কর কর্তনের মধ্যে কিছু কিছু কর কর্তন ওই বিক্রেতা বা সেবা প্রদানকারীর চূড়ান্ত কর দায় হিসাবে গণ্য করা হয় অর্থাৎ ওই বিক্রি বা সেবার আয়ের উপর পরবর্তীতে তাকে আর নতুন কোন কর দিতে হবেনা এবং নতুন কোন আয়ও ধার্য করা হবে না, ফলে ইহাই তাহার চূড়ান্ত আয় ও চূড়ান্ত কর ।

চূড়ান্ত করদায় হিসাবে গণ্য হয় এমন কিছু বিক্রি বা সেবা সমুহ নিন্মরুপঃ
১) পণ্য সরবরাহের কাজ বা চুক্তির অধিনে কাজ সম্পাদন করে দেয়া বিলের উপর উৎসে কর কর্তন (ধারা ৫২)
২) কোন প্রপার্টি রেজিঃ এর সময় উৎসে কর কর্তন ( ধারা ৫৩ এইচ )
৩) রিয়েল এস্টেট / ভুমি উন্নয়ন ব্যবসায়, ভুমি / ফ্লাট রেজিঃ এর সময় উৎসে কর কর্তন (ধারা ৫৩ এফ এফ )
৪) নিটওয়্যার, ওভেন গার্মেন্টস ইত্যাদি রফতানি সময় উৎসে কর কর্তন ( ধারা ৫৩ বিবি )
৫) নির্ধারিত কিছু মালামাল আমদানির সময় উৎসে কর কর্তন ( ধারা ৫৩ )
৬) রয়েলিটি, কারিগরি সেবার ফিস ইত্যাদি প্রদানের সময় উৎসে কর কর্তন ( ধারা ৫২ এ (২)
৭) সি অ্যান্ড এফ বিজনেসে প্রাপ্ত কমিশন যাহার উপর উৎসে কর কর্তন ( ধারা ৫২ এএএ )
৮) সম্পদ অধিগ্রহনের ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তি যাহার উপর উৎসে কর কর্তন ( ধারা ৫২ সি )
৯) পেনশনার সাভিং সার্টিফিকেট, ওয়েজ আর্নার ডেভোলপমেন্ট বন্ডের সুদ হতে উৎসে কর কর্তন(ধারা ৫২ডি)
১০) এছাড়াও ধারা ৫২বি, ৫২এন, ৫২ও, ৫২আর, ৫৩এএ, ৫৩বি, ৫৩বিবিবি, ৫৩সি, ৫৩সিসি, ৫৩ ডিডিডি, ৫৩জি, ৫৩জিজি, ৫৩এম, ৫৩এন, ৫৩ ও এবং ধারা ৫৫ অনুসারে সকল উৎসে কর কর্তন চূড়ান্ত কর দায় হিসাবে গণ্য হবে।
উপরক্ত ধারার আয়সমুহ উৎসে কর্তন করা করের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে এবং এই আয় অন্য খাতের ক্ষতির সাতে সমন্বয় করা যাবে না । এছাড়াও এই কর অন্য খাতের আয়ের উপর আরপিত করের সাতে সমন্বয় করা যাবে না এবং পরবর্তী কর বর্ষে জের টানা যাবেনা বা ফেরত দাবীও করা যাবেনা ।

আপনার এবারের আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল করতে নিচের ডকুমেন্টগুলো সংগ্রহ করে জমা দিন

 

চাকরি/বেতন খাতে আয়ের তথ্য :
1. সেলারি সার্টিফিকেট ;
2. সেলারির বিপরীতে কর্তনকৃত টিডিএস -এর প্রত্যয়নপত্র;
3. ব্যাংক স্টেটমেন্ট (from 01-07-2021 to 30-06-2022);
4. Provident Fund info/GPF Balance Sheet. (if any) ব্যবসা/পেশা খাতে আয়ের তথ্য:
5. ট্রেড লাইসেন্স;
6. ব্যবসার নামীয় ব্যাংক স্টেটমেন্ট;
7. ব্যবসার নামে লোন থাকলে- লোন আউটস্ট্যান্ডিং সার্টিফিকেট;
8. ব্যবসা আয়ের উপর অগ্রীম আয়কর (AIT) বা উৎসে কর কর্তন (TDS) থাকলে অগ্রীম আয়কর বা উৎসে করের প্রত্যয়নপত্র ও চালানের কপি; 9. বার্ষিক ক্রয়-বিক্রয় ও আয় বিবরনী;
10. মূল্যসহ ব্যবসার সম্পদের তালিকা (Fixture, Furniture, Equipment & Machinarie etc.); বিনিয়োগ ও ব্যাংক ইন্টারেস্ট তথ্য:
11. জীবন বীমা করা থাকলে প্রিমিয়াম প্রদানের রসিদ;
12. ডিপিএস করা থাকলে ডিপিএস স্টেটমেন্ট;
13. পূর্বের কোন ডিপিএস এনক্যাশ বা নগদায়ন করে থাকলে নগদায়ন প্রত্যয়নপত্র বা এনক্যাশমেন্ট সার্টিফিকেট ;
14. এফডিআর করে থাকলে তার ডকুমেন্ট ও ইন্টারেস্ট প্রাপ্তির প্রত্যয়নপত্র;
15. শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ থাকলে ব্রোকার হাউস থেকে বিনিয়োগ প্রত্যয়নপত্র ও পোর্টফলিও -র কপি;
16. সঞ্চয়পত্র ক্রয় করে থাকলে তার ডকুমেন্ট ;
17. সঞ্চয়পত্রের ইন্টারেস্ট প্রাপ্তি ও তার বিপরীতে টিডিএস কর্তনের প্রত্যয়নপত্র; গৃহ-সম্পত্তি হতে আয়ের তথ্য:
18. আপনার বাড়ি/ফ্ল্যাট/দোকান ভাড়া দিয়ে আয় থাকলে ভাড়ার চুক্তিপত্রের কপি ও ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিন;
19. আপনার বাড়ি/ফ্ল্যাট/দোকান এর পৌর কর বা সিটি কর্পোরেশন কর প্রদানের রসিদ;
20. হাউজ লোন থাকলে- লোন আউটস্ট্যান্ডিং সার্টিফিকেট; বৈদেশিক/রেমিট্যান্স আয়ের তথ্য:
21. বৈদেশিক/রেমিট্যান্স আয়ের সপক্ষে ব্যাংক সার্টিফিকেট বা এফএমজে ফরম/বৈদেশিক মুদ্রা ঘোষণা ফরম এর কপি; (মনে রাখবেন, বৈদেশিক আয় করমুক্ত হতে হলে তা আপনার নিজের আয় হতে হবে এবং প্রপার চ্যানেলে আসতে হবে); সম্পদ ও দায় সংক্রান্ত তথ্য:
22. এ বছর আপনার নামে কোন জমি/ফ্ল্যাট/বাড়ি/গাড়ি ক্রয় করে থাকলে তার দলিলের কপি;
23. এ বছর আপনার কোন জমি/ফ্ল্যাট/বাড়ি/গাড়ি বিক্রি করে থাকলে বিক্রয় দলিলের কপি ও উৎসে কর্তনের কপি;
24. বাড়ি/ফ্ল্যাট নির্মাণাধীন থাকলে নির্মাণ বিনিয়োগের পরিমাণ;
25. আপনার নামে গাড়ি থাকলে পারসোনাল ট্যাক্স টোকেনের কপি;
26. আপনার ব্যাংক লোন থাকলে লোন আউটস্ট্যান্ডিং সার্টিফিকেট ;
27. ডেভেলপার কোম্পানিকে দিয়ে বাড়ি নির্মাণকালে সাইনিং মানি পেয়ে থাকলে তার ডকুমেন্ট;
28. ব্যক্তিগত লোন ৫ লাখ টাকার বেশি হলে এর সপক্ষে ব্যাংক স্টেটমেন্ট ;
29. পরিবারের কারো কাছ থেকে কোন দান গ্রহণ করলে বা কাউকে দান করে থাকলে তার ডকুমেন্ট ; আর টাকা দান হলে তার সপক্ষে ব্যাংক স্টেটমেন্ট ;
30. এছাড়াও আপনার অন্য কোন আয় থাকলে তার ডকুমেন্ট দিন; বি:দ্র: সকল স্টেটমেন্ট/প্রত্যয়নপত্রের সময়কাল হবে ০১/০৭/২০২১ থেকে ৩০/০৬/২০২২ইং পর্যন্ত। অন্যান্য তথ্যাবলি:
31. আপনি এ বছর নতুন করদাতা হলে আপনার এনআইডি-র ফটোকপি, টিআইএন সার্টিফিকেট, মোবাইল নম্বর, ই-মেইল এড্রেস ও এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি;
32. আপনি পুরাতন করদাতা হলে গত বছরে দাখিলকৃত রিটার্ন এর কপি লাগবে; (গত বছর আমরা কাজ করে থাকলে আমাদের কাছে রিটার্নের কপি আছে) ;
33. আপনার আয়ের ওপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্য সংখ্যা ও তাদের বয়স।
দৃষ্টি আকর্ষণ: যথাযথ কর পরিগণনার জন্য আপনার সকল কাগজপত্র একত্রে দিন। ১৫ নভেম্বরের পরে দিলে আপনার রিটার্ন দাখিলের জন্য সময় নেয়া লাগতে পারে। মনে রাখবেন, এবার ৩০ নভেম্বরের পরে রিটার্ন দাখিল করলে আইনানুযায়ী পূর্ণ কর রেয়াত পাবেন না। অর্ধেক রেয়াত পাবেন এবং ২% বিলম্ব ফি দিতে হবে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কিছু সরকারি ও বেসরকারি সেবাগ্রহণে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩৯টি সেবার জন্য এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে, যার ফলে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে নির্দিষ্ট কিছু সেবা পেতে আগে আয়কর...