1. কোম্পানি
অডিট রিপোর্ট করে নিতে হবে যেখানে DVS নম্বর বসানো থাকে , কারণ রিটার্ন জমা
দিলে আয়কর অফিস আগে চেক করে দেখছে DVS প্রকৃত কিনা ।
2. অডিট রিপোর্ট করার সময় যেই সব
কাগজপত্র দিয়েছেন তা রিটার্ন জমা দেয়ার সময় সংযুক্ত করেছেন কিনা ।
3. বেতন ও ভাতা প্রমান করার জন্য
১০৮ ফর্ম সাথে দিলে ভালো হয় নইলে পরে আবার ডাকবে ।
4. উৎসে কর কর্তনের কাগজপত্র বা
টি আর চালান সাথে দিয়েছেন কিনা
5. আয় ও ব্যয় কে সাপোর্ট করার সমর্থনে যথাযথ
কাগজপত্র সাথে দিয়েছেন কিনা
6. স্থায়ী সম্পত্তি ক্রয় করে থাকলে বা আমদানি করে
থাকলে তার সমর্থনে কাগজপত্র সাথে দিয়েছেন কিনা
7. অডিট রিপোর্টে কোম্পানির ডিরেক্টর বা
চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর করা আছে কিনা
8. আয়কর রিটার্ন যথাযথভাবে পূরণ করেছেন কিনা,
9. ব্যাংক ঋণ এর সমর্থনে ব্যাঙ্ক সার্টিফিকেট বা
স্টেটমেন্ট সাথে দিয়েছেন কিনা,
10. ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স এর জন্য সার্টিফিকেট বা
বিবরনি সাথে দিতে হবে,
11. ইনকাম বা আয় কনফাম করার জন্য দরকার হলে ব্যাঙ্ক
রিকন্সিলেশন করে দিতে হবে নইলে করে অফিস তার ইচ্ছে মতো আয় নির্ধারণ করবে,
12. ব্যাঙ্ক চার্জ এবং সুদ এর সমর্থনে ব্যাঙ্ক রিকন্সিলেশন
সাথে দিতে পারেন
13. বিক্রয় বা রপ্তানি এর সমর্থনে কর কর্তনের সার্টিফিকেট থাকলে তা সাথে সংযুক্ত করে
দিতে হবে.
14. যেই অডিট রিপোর্ট
আয়কর অফিস এ জমা দিচ্ছেন তা আবার ভ্যাট অফিসে জমা দিতে হবে তাই মনে রাখতে হবে
ভ্যাট রিটার্ন এর ইনকাম বা আয়ের চেয়ে যেন বেশি না হয়

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন