১ লা জুলাই ২০২৩ থেকে নিচের ৪৪ টি সেবা পাওয়ার জন্য আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র বা proof of submission of return ( PSR) এর ফটকপি দিতে হবে :
we are the best legal or consultancy service provider in Bangladesh. we focus on better customer satisfaction by providing VAT TAX and Accounting related services to clients.
১ লা জুলাই ২০২৩ থেকে নিচের ৪৪ টি সেবা পাওয়ার জন্য আয়কর রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র বা proof of submission of return ( PSR) এর ফটকপি দিতে হবে :
জরিমানা এড়াতে আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর ২০২৩ এর মধ্যে আপনার প্রতিষ্ঠানের নিম্নোক্ত ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করুন। এছাড়া ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না করার জন্য ট্রেড লাইসেন্স অথরিটি চাইলে আপনার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারে । সেক্ষেত্রে আপনাকে পেনাল্টি প্রদান করে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হবে ।
প্রশ্ন:
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন
(Renew) না করলে
কি হবে?
আপনি যদি আপনার ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন (Renew) না করেন তাহলে আপনার ট্রেড লাইসেন্স এর বিপরীতে প্রতি মাসে আপনার ট্রেড লাইসেন্স ফি এর ১০% হারে জরিমানা যুক্ত হতে থাকবে অর্থাৎ পরবর্তীতে ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে, বছরে ১২০% জরিমানা দিতে হবে ।
প্রশ্ন : নবায়ন ফি কত হতে পারে ও কত দিন লাগে?
লাইসেন্স নবায়ন ফি নতুন লাইসেন্স ফির সমান এবং তার সাথে যুক্ত হয় ৩,০০০|= টাকা যা উৎসকর হিসেবে দিতে হয় । আর এটি ১ থেকে ৩ কার্যদিবসের মধ্যেই হয়ে যায়।
প্রশ্ন
: ট্রেড লাইসেন্স
নবায়ন সময়সীমা?
আপনার লাইসেন্সটি জুনের ৩০ তারিখেই মেয়াদ উত্তীর্ন হয়ে গিয়েছে।
সাধারনত ১লা জুলাই থেকে ৩০সেপ্টেম্বরের ২০২৩পর্যন্ত পেনাল্টি ছাড়াই লাইসেন্স নবায়নের সুযোগ থাকে। এর মধ্যে লাইসেন্স নবায়ন না করলে এর সঙ্গে যুক্ত হবে ৩০ শতাংশ সারচার্জ (জরিমানা) এবং এর পরে প্রতি মাসে ১০% হারে জরিমানা যুক্ত হতে থাকবে।
কেউ ব্যবসা বন্ধ করে ট্রেড লাইসেন্স সারেন্ডার করতে চাইলে তার সে সুযোগ আছে। তবে যে বছর নবায়ন সম্পন্ন রয়েছে, ঐ বছরে জুনের মধ্যে করলে কোন খরচ নেই। তবে জুনের পরে করলে অবশ্যই নবায়ন করে (পেনাল্টি থাকলে পরিশোধ করে) ব্যবসার ইতি টানতে হবে। অন্যথায় কর্পোরেশন তার বিরুদ্ধে মামলা করার এখতিয়ার রাখে।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে আবশ্যই আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পূর্বের ট্রেড লাইসেন্স কপি এবং জমা প্রদানের রশিদ বই এর ফটোকপি প্রদান করতে হবে।
যেই ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি যুক্তিসঙ্গত কারণ ব্যতীত ধারা ১৬৬, ১৭২, ১৯১, ১৯৩ বা ২১২ এর অধীনে কোন ব্যক্তি রিটার্ন দাখিল করতে ব্যর্থ হন সেই ক্ষেত্রে উপকর কমিশনার সর্বশেষ নিরূপিত আয়ের উপর ১০% হারে জরিমানা আরো করতে পারিবেন,যাহা ন্যূনতম এক হাজার টাকা হইবে এবং ব্যর্থতা অব্যাহত থাকলে ব্যর্থতা অব্যাহত থাকাকালীন প্রতিদিনের জন্য ৫০ টাকা হারে অতিরিক্ত জরিমানা আরো করিতে পারিবেন,
তবে শর্ত থাকে যে উক্ত জরিমানার পরিমাণ নিম্ন বর্ণিত অংক অতিক্রম করবে না যথা
(ক ) কোন ব্যাক্তি করদাতা যাহার ইতোপূর্বে কখনো কর নির্ধারণ হয় নাই তাহার ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকা
(খ )কোন ব্যক্তি করদাতা যাহার ইতোপূর্বে কর নির্ধারণ হইয়াছে তাহার ক্ষেত্রে সর্বশেষ নিরূপিত আয়ের ওপর প্রদেয় করের ৫০ শতাংশ বা ১০০০ টাকা দুটির মধ্যে যাহা অধিক
সরকারী বেতন
আদেশভুক্ত কর্মচারীদের
বেতনের করযোগ্য
আয় নির্ণয়ের
জন্য জাতীয়
রাজস্ব বোর্ড
এস আর
ও জারি
করেন। এস.আর.ও নং
২২৫-আইন/আয়কর-৭/২০২৩ এর
মাধ্যমে সরকারী
বেতন আদেশভুক্ত
কর্মচারীদের বেতনের
কোন কোন
খাত করযোগ্য
আয় হিসাবে
গণ্য হবে
এবং কারা
সরকারী বেতন
আদেশভুক্ত কর্মচারী
হিসাবে বিবেচিত
হবে, সেই
বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ
নির্দেশনা দেওয়া
হয়েছে।
সরকারী বেতন আদেশভুক্ত কর্মচারীদের বেতনের করযোগ্য আয়
সরকারি কর্মচারীদের
সরকার কর্তৃক
প্রদত্ত সকল
ভাতায় করমুক্ত।
শুধুমাত্র বেতনের
নিম্নোক্ত ৩টি
খাত করযোগ্য
আয় হিসেবে
বিবেচিত হবে:
অবসরকালে প্রদত্ত
ল্যাম্প গ্রান্টসহ
সরকারি বেতন
আদেশে উল্লেখিত
অন্যান্য ভাতা
ও সুবিধাদি
যেমন, বাড়ীভাড়া
ভাতা, চিকিৎসা
ভাতা, যাতায়াত
ভাতা, শ্রান্তি
বিনোদন ভাতা,
বাংলা নববর্ষ
ভাতা ইত্যাদি
করমুক্ত থাকবে।
এস.আর.ও নং ২২৫-আইন/আয়কর-৭/২০২৩ ডাউনলোড
করতে নিচের
ডাউনলোড বাটনে
ক্লিক করুন
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩৯টি সেবার জন্য এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে, যার ফলে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে নির্দিষ্ট কিছু সেবা পেতে আগে আয়কর...