শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৩

সরবরাহের উপর প্রদেয় নীট কর নিরূপণ : ( Net Tax Payable on Supply under VAT)

 

(১) যে কর মেয়াদের নীট কর হিসাব করা হবে উক্ত কর মেয়াদে ১ তারিখ হতে মাসের শেষ তারিখ পর্যন্ত ইস্যুকৃত সমুদয় কর চালানের (মূসক ৬.৩) বিপরীতে সরবরাহের উপর প্রদেয় সকল উৎপাদ কর এবং সম্পূরক শুল্ক যোগ করে তা হতে প্রাপ্ত সমুদয় উপকরণ কর রেয়াত বিয়োগ করে ও উক্ত কর মেয়াদের সকল বৃদ্ধিকারী সমন্বয় যোগ করে এবং সকল হ্রাসকারী সমন্বয় বিয়োগ করার পর যে পরিমাণ হবে তা’ই হবে উক্ত কর মেয়াদের নীট প্রদেয় কর। উক্ত নীট প্রদেয় কর হতে পূর্ববর্তী কর মেয়াদের জের যদি থাকে, তা সমন্বয় করে এবং সুদ জরিমানা বা অন্যান্য সরকারী দেনা থাকলে, তা যোগ করে উক্ত কর মেয়াদে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা দেয়ার জন্য নীট জমার পরিমাণ পাওয়া যাবে।
(2) উক্ত নীট জমা প্রদেয় কর, সংশ্লিষ্ট কর মেয়াদ শেষে পরবর্তী কর মেয়াদের ১ হতে ১৫ তারিখের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করার পূর্বেই নির্ধারিত অর্থনৈতিক কোডে ট্রেজারী চালান বা অনলাইনে বা অন্যকোন উপায়ে পরিশোষ করতে হবে। যদি নীট প্রদেয় শূন্য বা ঋণাত্মক হয়, তাহলে তার আর ট্রেজারি চালান করার প্রয়োজন হবে না। কিন্তু যদি নীট জমার প্রদেয় ধনাত্মক হয়, তাহলে অবশ্যই দাখিলপত্র পেশ করার আগে সমুদয় প্রদেয় কর সরকারী কোষাগারে জমা প্রদান করতে হবে।



বুধবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৩

জমির দলিল খরচ কত টাকা তা জেনে নিন

 


১. ধরা যাক, শ্যামনগর, বাদঘাটা, মৌজায় ১০ শতক জমি বিক্রয় হবে যার মূল্য ৩০০০০০ টাকা। উক্ত জমি রেজিস্ট্রি খরচ হবে নিম্নরূপঃ১। রেজিস্ট্রেশন ফিঃ ৩,০০,০০০ এর ১% = ৩,০০০ টাকা।২। স্ট্যাম্প শুল্কঃ ৩,০০,০০০ এর ১.৫% = ৪,৫০০ টাকা।৩। স্থানীয় সরকার করঃ ৩,০০,০০০ এর ৩% = ৯,০০০ টাকা।৪। উৎসে করঃ ৩,০০,০০০ এর ১% =৩,০০০ টাকা।৫। ক) হলফনামা স্ট্যাম্পঃ ২০০ টাকা। খ) ই ফিঃ ১০০ টাকা। গ) এন ফিঃ ১৬০ টাকা। ঘ) এনএন ফিঃ ২৪০ টাকা। ঙ) কোর্ট ফিঃ ১০ টাকা।
২। ধরা যাক, শ্যামনগর, বাদঘাটা,মৌজায় ১০ শতক জমি বিক্রয় হবে যার মূল্য ৯,০০,০০০ টাকা। উক্ত জমি রেজিস্ট্রি খরচ হবে নিম্নরূপঃ১। রেজিস্ট্রেশন ফিঃ ৯০০০০০ এর ১% = ৯,০০০ টাকা।২। স্ট্যাম্প শুল্কঃ ৯,০০,০০০ এর ১.৫% = ১৩,৫০০ টাকা।৩। স্থানীয় সরকার করঃ ৯,০০,০০০ এর ৩% = ২৭,০০০ টাকা।৪। উৎসে করঃ ৯,০০,০০০ এর ১% = ৯,০০০ টাকা। (পৌরসভাস্থ জমি ২%)৫। ক) হলফনামা স্ট্যাম্পঃ ২০০ টাকা। খ) ই ফিঃ ১০০ টাকা। গ) এন ফিঃ ১৬০ টাকা। ঘ) এনএন ফিঃ ২৪০ টাকা। ঙ) কোর্ট ফিঃ ১০ টাকা।



খাস জমি কি? কবুলিয়ত কি? DCR কি? দলিল কি?

 


খাস জমি কি?
সরকারের ভূমি মন্ত্রনালয়ের | আওতাধিন যে জমি। সরকারের পক্ষে কালেক্টর বা ডিসি তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে।
কবুলিয়ত কি?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
DCR কি?
ভূমি কর ব্যতিত অন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
দলিল কি?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযােগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মােতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবে তাকে দলিল বলে।



রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

জিরো রিটার্ণ (Zero tax return)

 

একজন ব্যাংক থেকে ফোন করে উনার ক্লাইন্ট এর জন্য একটা জিরো রিটার্ণ করে দিতে বলেন ।
আমি জানতে চাইলাম রিটার্ণ কি পারপাসে দরকার ?
বেশ কিছু কথা ঘুরিয়ে জানাল হোম লোনের জন্য দরকার । আরো বিস্তারিত আলোচনায় জানা গেল উনার ঢাকাতে একটা ৬ তলা বাড়ী আছে নতুন আরেকটা বাড়ির কাজ চলছে তার জন্য লোন নিবেন ।
এক ভদ্রলোক অনেক বছর বিদেশে ছিলেন । ব্যাংকে ৩ কোটির মত এফ ডি আর আছে , সঞ্চয় পত্র আছে ৪৫ লাখ, দুইটা ফ্ল্যাট আছে প্রথমবার রিটার্ণ দিবেন । সরকার যেহেতু সাধারন ক্ষমা করেছেন কোন সমস্যাতো আর নেই । উনি জিরো রিটার্ণ দিতে চান । একজন ১০ হাজার টাকায় উনাকে জিরো রিটার্ণ করে দিবেন বলেছেন । আমি এর চেয়ে কম টাকায় করতে পারব কিনা ।
তেজগাঁও রেজিস্ট্রি অফিসের বাইরের ফটোকপি কম্পোজের দোকান। দেখা করে একটা রেগুলার সার্ভিস নিতে চায় । জিরো রিটার্ণ করে দিতে হবে একজন ৫০০ করে দুই ঘণ্টায় করে দেয় । প্রতিদিন ৮/১০ টা রিটার্ণ করতে হবে আমি পারব কিনা ?
এক ভাই গ্রুপে পোস্ট দিয়েছেন জমি জমা পারপাস, ব্যাংকিং পারপাস রিটার্ণ স্লিপ লাগলে নক করতে । আমি নক করলাম কত লাগবে । জানাল ৫০০/-
আমি বল্লাম ডকুমেন্টস কি লাগবে ।
শুধু টি আই এন । \
আর কোন ডকুমেন্টস এসেট ডিটেলস ?
না কিচ্ছু লাগবে না ।
যারা এই কাজগুলো করছেন এবং যারা এই কাজগুলো করাচ্ছেন দয়া করে সাবধান হোন ।
করদাতার সাথে সরাসরি কথা না বলে বিস্তারিত না জেনে তার অনুমতি স্বাক্ষর ছাড়া রিটার্ণ প্রস্তুত করা এবং জমা করা বেআইনী।
যারা মিনিমাম কাজ শিখেছেন তারা কক্ষনো করদাতর সম্পদ, সম্পদের উৎসের ব্যাখ্যা এবং আয়ের বিস্তারিত না জেনে কাজ করেন না ।



আপনার আজকের জিরো রিটার্ণ আগামীকালের বিপদ হতে পারে ।
সবার সচেতনতা কামনা করি।
আপনার ৫০০/- টাকার জন্য একজন করদাতার লক্ষ কোটি টাকার ক্ষতি সাধিত হতে পারে ।

বুধবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

List of International Accounting Standards (IAS)

 


1.IAS 1. presentation of financial statements
2. IAS 2 Inventories
3. IAS 7 The statement of cash flows
4. IAS 8. Accounting policies, Changes of Accounting Estimates & Errors
5. IAS 10 Events after the reporting period
6. IAS 12 Income Taxes
7. IAS 16 property plant and Equipments
8. IAS 19 Employee Benefits
9. IAS 20 Government Grants and Disclosure of Government Assistance
10. IAS 21 The effects of changes in Foreign exchange Rates
11. IAS 23 Borrowing Costs
12. IAS 24 Related party Disclosure
13. IAS 26 Accounting and Reporting by Retirement Benefit Plans
14. IAS 27 Separate Financial Statements
14. IAS 28 Investments in Associates and joint Ventures
15. IAS 29 Financial Reporting in Hyperinflationary Economics
16. IAS 32 Financial Instruments- Presentation
17. IAS 33 Earnings per Share
18. IAS 34 Interim Financial Reporting
19. IAS 36 Impairment of Assets
20. IAS 37 Provision, Contingent Liabilities and Contingent Assets
21. IAS 38 Intangible Assets
22. IAS 39 Financial Instruments- Recognition and measurement
23. IAS 40 Investment Property
24. IAS 41 Agriculture


বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

How to use different types of cheque (বিভিন্ন ধরণের চেকের ব্যবহার)?

 


১. Bearer বা বহনকারী চেক:
এই ধরণের চেকে যে চেকটি বহন করছে, তাকে সরাসরি অর্থ প্রদান করা হয়। এই চেকগুলোর ডেলিভারির মাধ্যমে প্রাপকের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়। অর্থাৎ, চেকটি ব্যাঙ্কে নিয়ে যাওয়া হলে আপনাকে সরাসরি অর্থপ্রদান করে দেওয়া হবে৷ এখানে, ব্যাঙ্ককে সেই ব্যক্তিকে টাকা দিতে হলে, চেকটির ইস্যুকারীর কাছ থেকে কোনোরকমের অনুমোদন নেওয়ার প্রয়োজন থাকে না ৷ আর, এই চেক সনাক্ত করার সহজ উপায় হল এই যে, এতে ‘অর বিয়ারার’ (‘or bearer’) শব্দ দুটো লেখা থাকে।




২. Order চেক:
অর্ডার চেকগুলোতে ‘or bearer’ শব্দগুলোকে বাতিল করা হয়। এই চেকগুলো শুধুমাত্র সেইসব ব্যক্তিকেই টাকা দিতে সম্মত হয়, যার নামে চেকটি লেখা হয়েছে। আর, ব্যাঙ্ক থেকে পেমেন্ট দেওয়ার আগে চেক ড্রয়ারের পরিচয় প্রমাণীকরণের জন্য ব্যাঙ্ক তার ব্যাকগ্রাউন্ড দেখে শুনে তবেই পেমেন্ট করে থাকে।

৩. Crossed চেক:
আপনি এই ধরণের চেকের উপরের বাম দিকে লেখা ‘a/c payee’ শব্দের সাথে দুটি ঢালু সমান্তরাল লাইন দেখতে পাবেন। এই লাইনগুলো নিশ্চিত করে যে, যার নামে চেকটি লেখা হয়েছে, কেবল তার নামেই অর্থ প্রদান করতে হবে। অর্থাৎ, তৃতীয় কোনো ব্যক্তি এই প্রদেয় টাকা কোনোভাবেই পাবেন না।
কারণ, এই ধরণের চেকগুলোতে যাকে টাকা দেওয়া হবে, সেই প্রাপকের নামসহ তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বরও যুক্ত করতে হয়। আর, প্রাপকের দেওয়া ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বরেই পাঠানো টাকাগুলো সরাসরি চলে যায়। এই চেকগুলো তুলনামূলকভাবে নিরাপদ কারণ; এখানে শুধুমাত্র প্রাপকের ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট নম্বরেই পাঠানো সম্ভব।

৪. Open চেক:
একটি ওপেন চেক হল মূলত ক্রসড চেকগুলোর বিপরীত।
এই ওপেন চেকগুলো থেকে টাকা যেকোনো ব্যাঙ্ক থেকেই তোলা যায় ও যে এই চেকগুলো বহন করছে, তাকেই অর্থ প্রদান করতে হয়। মূল প্রাপকের (পেমেন্টের আসল প্রাপক) থেকে এই ধরণের চেকগুলো সহজেই অন্য প্রাপকের কাছে হস্তান্তরযোগ্য। তবে, এখানে ইস্যুকারীকে চেকের সামনে-পিছনে উভয় দিকেই তার স্বাক্ষর দিতে হয়।

৫. Post-Dated চেক:
এই ধরনের চেকে ইস্যুকারীরা টাকা নগদ করার জন্যে অদূর ভবিষ্যতের কোনো একটা নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করে থাকে। এমনকি, বহনকারী যদি এই চেকটি পাওয়ার সাথে সাথেই ব্যাঙ্কে নিয়ে যায়, তা সত্ত্বেও, ব্যাঙ্ক শুধুমাত্র চেকে উল্লেখিত তারিখেই তাকে অর্থপ্রদান করতে পারবে, তার আগে নয়।
তাই, এই চেকগুলো উল্লিখিত তারিখের পরেই বৈধ হয়, তার আগে নয়।

৬. Stale চেক:
ইস্যু করা তারিখের তিন মাস পরে বৈধতা পেরিয়ে গেলে একটি চেক এক্সপায়ার্ড হয়ে যায় বা সেটা অবৈধ বা স্টেল চেকে পরিণত হয়।

৭. Travellers চেক:
বিদেশীরা অন্য দেশে ছুটি কাটাতে গেলে অনেক সময় হার্ড ক্যাশের জায়গাতে ভ্রমণকারী বা ট্রাভেলার্স চেক বহন করে। এই চেকগুলি তাদের ব্যাঙ্ক দ্বারা জারি করা হয় আর অন্য দেশে অবস্থিত অন্য কোনো ব্যাঙ্কে মুদ্রার আকারে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। এই ধরণের চেকের মেয়াদ কখনোই শেষ হয় না আর ভবিষ্যতে যেকোনো দেশের বাইরে ভ্রমণের জন্য ব্যবহার করা যায়।

৮. Self চেক:
আপনি ড্রয়ী কলমে ‘self’ শব্দটি লিখে একটি চেককে সেলফ চেকে রূপান্তরিত করতে পারেন।
আর, এই চেকগুলো শুধুমাত্র ইস্যুকারীর নিজস্ব অ্যাকাউন্ট থাকা ব্যাঙ্কেই ব্যবহার করা সম্ভব।

৯. Bank চেক:
একটি ব্যাংক এই ধরনের চেকের ইস্যুকারী। ব্যাংক এই চেকগুলো তার একজন অ্যাকাউন্টধারীর পক্ষ থেকে একই শহরের অন্য আরেকজনকে অর্থ প্রেরণ করার জন্য ইস্যু করে। এখানে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নেওয়া হয়, তারপর, চেকটি ব্যাংক দ্বারা জারি করা হয়। এই কারণেই ব্যাংকারের চেকগুলো যেকোনো সন্দেহের উর্ধে থাকে আর এগুলো অবজ্ঞা করার ক্ষমতা ব্যাংকের নেই। মূলত, এই চেকগুলোও তিন মাসের জন্য বৈধ থাকে।


সোমবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৩

How to prepare standard workings for Consolidated Financial statements and journal entry?

 

Workings of Consolidated Financial statements





1. Group structure

                P Ltd

                                80% Share acquired by P ltd.

 

                Subsidiary (S Ltd)

2. Calculation of net Assets of Subsidiary (S ltd).

Particulars

At year end

    At Acquisition date

                Post acquisition date

Share Capital

******

******

*******

Retained Earnings

******

******

*******

Total

******

********

*******


3. Calculation of Goodwill

 

 

Consideration Transferred

*****

Plus: Non-Controlling Interest at acquisition (Based on w2)         

*****

Less: Net assets at acquisition (Based on w2)

(*****)

 

*****

Impairment to date

(*****)

Balance C/F

*****

 

The double entry to consolidate the subsidiary will be:

 Share of Subsidiary’s net assets Dr          *****

Goodwill                                      Dr           ****

Investment in subsidiary              Cr            ****

 

4. Calculation of Non-controlling Interest (NCI) at year end.

Particulars

Amount

At acquisition (NCI % x net assets based on w-2) or Fair Value

*****

Share of Post-acquisition profits and other reserves (NCI% x Post –acquisition  

*****

 

******

 

5. Calculate retained Earnings

Particulars

Amount

P Ltd (100%)

*****

S Ltd. (Share of post-acquisition retained earnings (Based on w-2)

*****

Goodwill Impairment to date (based on w-2)

(****)

Group Retained Earnings

******


চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কিছু সরকারি ও বেসরকারি সেবাগ্রহণে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩৯টি সেবার জন্য এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে, যার ফলে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে নির্দিষ্ট কিছু সেবা পেতে আগে আয়কর...