বৃহস্পতিবার, ১১ মে, ২০২৩

এনবিআর "ট্যাক্স এজেন্ট' নিয়োগ দিতে যাচ্ছে (NBR is going to appointment Tax Agent)

 

1. ট্যাক্স এজেন্ট কি?

 ট্যাক্স এজেন্ট হবে এনবিআর এর পক্ষে দেশব্যাপী করদাতা সনাক্ত, কর আদায় এবং রিটার্ন দাখিলে সহয়তাকারি কোন প্রতিষ্ঠান।




2. ট্যাক্স এজেন্ট কেন নিয়োগ দেয়া হবে?

 ট্যাক্স প্রদানে সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের করজালের আওতায় আনতে এবং মানুষকে কর প্রদানে উৎসাহিত করতে ট্যাক্স এজেন্ট নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়েছে।

3. ট্যাক্স এজেন্টের কাজ কি হবে?

 ট্যাক্স এজেন্টরা সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের তথ্য নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রথমে নতুন করদাতা খুঁজে বের করবে। এরপর তাদের রিটার্ন জমা দিতে উদ্বুদ্ধ করবে, প্রয়োজনে রিটার্ন পূরণ করে দেবে। তাঁরা রিটার্নগুলো অনলাইনে জমা দিবেন। এছাড়াও -টিআইএন থাকা সত্ত্বেও যারা এখনও কর রিটার্ন জমা দেননি, তাদের রিটার্ন প্রস্তুত করতেও সাহায্য করবে।গ্রামাঞ্চলকে করজালের আওতায় আনতে এবং কর দেওয়ার যোগ্য মানুষকে কর প্রদানে উৎসাহিত করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর এজেন্ট নিয়োগের প্রস্তাব করেছে। একই সঙ্গে কর এজেন্টরা নতুন করদাতাদেরও সাহায্য করবে। অথবা -টিআইএন থাকা সত্ত্বেও যারা এখনও কর রিটার্ন জমা দেননি, তাদের রিটার্ন প্রস্তুত করতেও সাহায্য করবে।

4. ট্যাক্স এজেন্ট কারা হতে পারবে?

বাংলাদেশে ট্যাক্স এজেন্ট কাদেরকে দেয়া হবে সেটা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে বলা হচ্ছে ট্যাক্স এজেন্ট হবে এমন একটি প্রতিষ্ঠান যারা এনবিআর থেকে নিবন্ধন পাবে এবং তাঁরা ইনকাম ট্যাক্স প্রিপেয়ারার নিয়োগ করবে। এই এজেন্টরা প্রশিক্ষণ পাবেন এবং NBR এর পর্যবেক্ষণের আওতায় থাকবে।

5. ট্যাক্স এজেন্টগণ কি সুবিধা পাবে?

ট্যাক্স এজেন্টকে উৎসে কর ব্যতীত আদায়কৃত করের ১০ শতাংশ কমিশন দেওয়া হবে। কমিশনের হার নির্ধারণ করবে এনবিআরের নিয়োগকৃত এজেন্টরা। নতুন করদাতা খোঁজার বিনিময়ে আগামী বছর এজেন্টদের কমিশন দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছ।

6. ট্যাক্স এজেন্টেদের ক্ষমতা কি হবে?

 ট্যাক্স এজেন্টদের কতটা ক্ষমতা দেওয়া হবে এবং তাদের দ্বারা ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে কর্তৃপক্ষ কী ব্যবস্থা নেবে, তা এখনও পুরোপুরি জানা যায়নি।

7. ট্যাক্স এজেন্ট কবে চালু হবে?

আগামী ২০২৩-২৪ অর্থবছর থেকে কর সংগ্রহ করতে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত বেসরকারি কর সংগ্রহ এজেন্ট নিয়োগ করার কথা ভাবছে সরকার। এই প্রস্তাবটি আগামী ১৪ মে প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে আসন্ন বাজেটের অর্থ বিলে 'ইনকাম ট্যাক্স প্রিপেয়ারার'' নামে একটি নিয়ম অন্তর্ভুক্ত করা হবে জানা গেছে। এখানে উল্লেখ্য ইতিমধ্যে নাকি এটার খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে!

8. ট্যাক্স এজেন্ট চালুর প্রয়োজনীয়ত কি?

এনবিআর বলছে দেশে ৮৮ লাখের বেশি টিআইএনধারী থাকলেও চলতি করবর্ষে রিটার্ন জমা দিয়েছেন মাত্র ২৯ লাখ করদাতা। অর্থাৎ রিটার্ন দাখিলকারীর সংখ্যা খুবই কম! তাছাড়া দেশের অনাচে কানাচে বহু কর দেবার সামর্থ্যব্যান ব্যক্তি রয়েছেন যারা এখনও করের আওতায় আসেনি। মূলত তাদের খুজে বের করতে সরকারের এই প্রাইভেট ট্যাক্স এজেন্ট নিয়গের প্লান। এনবিআর এর জনবল কম থাকায় এই বিষয়গুলো সঠিকভাবে তদারকি করা সম্ভব হচ্ছে না বিধায় বিকল্প পথ খুঁজছে। যদিও ওয়ার্ল্ড এর বিভিন্ন দেশে কর এজেন্ট নিয়োগের সিস্টেম বহু আগে থেকেই চালু রয়েছে।

       9. কর সংগ্রহের জন্য কোন কোন দেশে বেসরকারি এজেন্ট আছে?

অস্ট্রেলিয়ায় অস্ট্রেলিয়ান ট্যাক্সেশন অফিস (এটিও) নির্দিষ্ট পরিমাণ কর আদায়ে সহায়তা করার জন্য বেসরকারি কর সংগ্রহ সংস্থা নিযুক্ত করেছে। এই সংস্থাগুলো বকেয়া কর আদায়ের জন্য এটিওর হয়ে কাজ করে।

যুক্তরাজ্যে সরকার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে কিছু কর আদায় করেছে। এই কোম্পানিগুলো আয়কর জাতীয় বিমা অবদানের মতো বকেয়া কর আদায়ের দায়িত্ব পালন করে।

দেশে বর্তমানে কয়েক হাজার এনবিআর এর সৃষ্ট নিবন্ধত আইটিপি রয়েছে। তাদের পাশ কাটিয়ে পৃথকভাবে ট্যাক্স এজেন্ট নিয়োগ করা কোন ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। আইটিপি পেশা আয়কর আইন দ্বারা সৃষ্ট বহু পুরাতন একটি পেশা। আইটিপিগণ নিয়মিত ট্যাক্স প্র্যাকটিস করেন এবং সরকারের রাজস্ব আদায়ে সহযোগী হিসাবে কাজ করে আসছে। সুতরাং এই আইটিপিদের বিশেষ সুবিধা, প্রশিক্ষণ এবং কিছু ক্ষমতা দিয়ে এই কাজে নিয়োগ দেয়া যায়। ট্যাক্স এজেন্টের নামে অপেশাদার ব্যক্তিদের এই কাজে নিয়োগ দিলে আইন বহির্ভূত কাজ, দুর্নীতি, হয়রানি ব্যাপক বেড়ে যাবে। সুতরাং সকল আইটিপিগণকে এই বিষয়ে সোচ্চার হবার প্রয়োজন।




শনিবার, ৬ মে, ২০২৩

VAT Online Password কিভাবে পরিবর্তন করবেন?

 

ভ্যাট অনলাইন থেকে একটি ইমেইল সবাই পেয়েছেন যে, যে সকল করাদাতা বিগত ৯০ দিনের মধ্যে VAT Online একাউন্টের Password পরিবর্তন করেননি তাদেরকে VAT Online Password পরিবর্তন করে ভ্যাট অনলাইন একাউন্টে প্রবেশ করতে হবে। পাসওয়ার্ড পরিবর্তন না করলে ভ্যাট অনলাইনে কোন কাজ করা সম্ভব হবে না।

আপনি যখন আগের পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করবেন তখন পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে বলা হবে। নিচের ছবির মতো একটি নোটিফিকেশন আপনার কম্পিউটার স্ক্রিনে আসবে।

নোটিফিকেশনের OK বাটনে ক্লিক করলে আপনাকে পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের পরবর্তী পেজে নিয়ে যাবে। যেখানে আপনার পুরাতন পাসওয়ার্ড নতুন পাসওয়ার্ড লিখে, ক্যাপচা পূরণ করে Change Password নামের সবুজ বাটনে ক্লিক করুন।

       VAT Online Password পরিবর্তন করার নিয়ম

       VAT Online Password পরিবর্তন করার সময় কয়েকটি বিষয় আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে

       . পুরাতন পাসওয়ার্ড নতুন পাসওয়ার্ড ভিন্ন হতে হবে

       . পাসওয়ার্ডে কমপক্ষে ক্যারেক্টার থাকতে হবে

       পাসওয়ার্ড কম্বিনেশনে কমপক্ষে একটি নাম্বার, একটি অক্ষর বিশেষ ক্যারেক্টার (!”#$%&'()*+,-./:;<=>?@[\]^_`{|}~) থাকতে হবে।

       পাসওয়ার্ড পরিবতর্নে কোন সমস্যায় পড়লে ভ্যাট অনলাইন সাপোর্ট নাম্বার ১৬৫৫৫ কল করুন।



রবিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৩

ব্যবসায়ী স্তরের ভ্যাট নিয়ে কিছু কথা (Trade VAT)

 ব্যবসায়ী স্তরে রেয়াত নিলে ভ্যাটের ভার কম হয়। কিন্তু বাস্তবে অল্প কিছু ব্যবসায়ী রেয়াত নেয়। বেশিরভাগ ব্যবসায়ী রেয়াত নেয় না। এখন রেয়াত আলোচনা করি। রেয়াত হলো, আপনি পণ্যটা কেনার সময় যে ভ্যাট পরিশোধ করেছেন, সেই ভ্যাট ফেরৎ নিয়ে নেয়া। আপনি যদি পণ্যটা বিক্রি করার সময় ১৫% ভ্যাট পরিশোধ করেন, তাহলে রেয়াত নিতে পারবেন।




ধরুন, একজন ব্যবসায়ী উৎপাদনকারীর কাছ থেকে ৪০ টাকা দিয়ে একটা সাবান কেনেন। ৪০ টাকার উপর ৬ টাকা ভ্যাট পরিশোধ করা হয়েছে। ব্যবসায়ী তাঁর দাখিলপত্রের মাধ্যমে ৬ টাকা নিয়ে নেবেন। ধরুন, তিনি সাবানটি ৫৫ টাকায় বিক্রি করবেন। ৫৫ টাকার ওপর ১৫% হারে ৮.২৫ টাকা ভ্যাট তিনি ক্রেতার কাছ থেকে নিয়ে সরকারকে পরিশোধ করবেন। আগের ভ্যাট ৬ টাকা তিনি রেয়াত নিয়েছেন। তাহলে এক্ষেত্রে ভ্যাট দেয়া হলো ২.২৫ টাকা। রেয়াত না নিয়ে ৫% ট্রেড ভ্যাট পরিশোধ করলে ৫৫ টাকার ওপর ভ্যাট হতো ২.৭৫ টাকা এবং পূর্বের ৬ টাকা রেয়াত পাওয়া যেতো না। অর্থাৎ ৬+২.৭৫=৮.৭৫ টাকা ভ্যাট পরিশোধ করতে হতো। তাই, বড় এবং মাঝারি ব্যবসায়ীদের জন্য রেয়াত নিয়ে ১৫% ভ্যাট পরিশোধ করা উত্তম। 

শুক্রবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৩

সরবরাহের উপর প্রদেয় নীট কর নিরূপণ : ( Net Tax Payable on Supply under VAT)

 

(১) যে কর মেয়াদের নীট কর হিসাব করা হবে উক্ত কর মেয়াদে ১ তারিখ হতে মাসের শেষ তারিখ পর্যন্ত ইস্যুকৃত সমুদয় কর চালানের (মূসক ৬.৩) বিপরীতে সরবরাহের উপর প্রদেয় সকল উৎপাদ কর এবং সম্পূরক শুল্ক যোগ করে তা হতে প্রাপ্ত সমুদয় উপকরণ কর রেয়াত বিয়োগ করে ও উক্ত কর মেয়াদের সকল বৃদ্ধিকারী সমন্বয় যোগ করে এবং সকল হ্রাসকারী সমন্বয় বিয়োগ করার পর যে পরিমাণ হবে তা’ই হবে উক্ত কর মেয়াদের নীট প্রদেয় কর। উক্ত নীট প্রদেয় কর হতে পূর্ববর্তী কর মেয়াদের জের যদি থাকে, তা সমন্বয় করে এবং সুদ জরিমানা বা অন্যান্য সরকারী দেনা থাকলে, তা যোগ করে উক্ত কর মেয়াদে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে জমা দেয়ার জন্য নীট জমার পরিমাণ পাওয়া যাবে।
(2) উক্ত নীট জমা প্রদেয় কর, সংশ্লিষ্ট কর মেয়াদ শেষে পরবর্তী কর মেয়াদের ১ হতে ১৫ তারিখের মধ্যে দাখিলপত্র পেশ করার পূর্বেই নির্ধারিত অর্থনৈতিক কোডে ট্রেজারী চালান বা অনলাইনে বা অন্যকোন উপায়ে পরিশোষ করতে হবে। যদি নীট প্রদেয় শূন্য বা ঋণাত্মক হয়, তাহলে তার আর ট্রেজারি চালান করার প্রয়োজন হবে না। কিন্তু যদি নীট জমার প্রদেয় ধনাত্মক হয়, তাহলে অবশ্যই দাখিলপত্র পেশ করার আগে সমুদয় প্রদেয় কর সরকারী কোষাগারে জমা প্রদান করতে হবে।



বুধবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৩

জমির দলিল খরচ কত টাকা তা জেনে নিন

 


১. ধরা যাক, শ্যামনগর, বাদঘাটা, মৌজায় ১০ শতক জমি বিক্রয় হবে যার মূল্য ৩০০০০০ টাকা। উক্ত জমি রেজিস্ট্রি খরচ হবে নিম্নরূপঃ১। রেজিস্ট্রেশন ফিঃ ৩,০০,০০০ এর ১% = ৩,০০০ টাকা।২। স্ট্যাম্প শুল্কঃ ৩,০০,০০০ এর ১.৫% = ৪,৫০০ টাকা।৩। স্থানীয় সরকার করঃ ৩,০০,০০০ এর ৩% = ৯,০০০ টাকা।৪। উৎসে করঃ ৩,০০,০০০ এর ১% =৩,০০০ টাকা।৫। ক) হলফনামা স্ট্যাম্পঃ ২০০ টাকা। খ) ই ফিঃ ১০০ টাকা। গ) এন ফিঃ ১৬০ টাকা। ঘ) এনএন ফিঃ ২৪০ টাকা। ঙ) কোর্ট ফিঃ ১০ টাকা।
২। ধরা যাক, শ্যামনগর, বাদঘাটা,মৌজায় ১০ শতক জমি বিক্রয় হবে যার মূল্য ৯,০০,০০০ টাকা। উক্ত জমি রেজিস্ট্রি খরচ হবে নিম্নরূপঃ১। রেজিস্ট্রেশন ফিঃ ৯০০০০০ এর ১% = ৯,০০০ টাকা।২। স্ট্যাম্প শুল্কঃ ৯,০০,০০০ এর ১.৫% = ১৩,৫০০ টাকা।৩। স্থানীয় সরকার করঃ ৯,০০,০০০ এর ৩% = ২৭,০০০ টাকা।৪। উৎসে করঃ ৯,০০,০০০ এর ১% = ৯,০০০ টাকা। (পৌরসভাস্থ জমি ২%)৫। ক) হলফনামা স্ট্যাম্পঃ ২০০ টাকা। খ) ই ফিঃ ১০০ টাকা। গ) এন ফিঃ ১৬০ টাকা। ঘ) এনএন ফিঃ ২৪০ টাকা। ঙ) কোর্ট ফিঃ ১০ টাকা।



খাস জমি কি? কবুলিয়ত কি? DCR কি? দলিল কি?

 


খাস জমি কি?
সরকারের ভূমি মন্ত্রনালয়ের | আওতাধিন যে জমি। সরকারের পক্ষে কালেক্টর বা ডিসি তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে।
কবুলিয়ত কি?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
DCR কি?
ভূমি কর ব্যতিত অন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
দলিল কি?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযােগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মােতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবে তাকে দলিল বলে।



চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে কিছু সরকারি ও বেসরকারি সেবাগ্রহণে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন দাখিলের প্রমাণ দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

  জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৩৯টি সেবার জন্য এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে, যার ফলে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে নির্দিষ্ট কিছু সেবা পেতে আগে আয়কর...